নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আটি হাউজিংয়ে নূরে মদিনা মাদ্রাসার মুহতামিম শরীফুল ইসলাম ইব্রাহীম (৩২)-এর বিরুদ্ধে গত দুই মাসে পাঁচ ছাত্রকে বলাৎকারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ায় ঘটনা ফাঁস হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শিক্ষককে আটক করে মারধর ও জুতার মালা পরায়।কিন্তু পুলিশের হাতে না দিয়ে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ নেন চার প্রভাবশালী মাতব্বর — ফরিদ মাস্টার ও দেলোয়ার
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের আটি হাউজিংয়ে নূরে মদিনা মাদ্রাসার মুহতামিম শরীফুল ইসলাম ইব্রাহীম (৩২)-এর বিরুদ্ধে গত দুই মাসে পাঁচ ছাত্রকে বলাৎকারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এক শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ায় ঘটনা ফাঁস হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী শিক্ষককে আটক করে মারধর ও জুতার মালা পরায়।কিন্তু পুলিশের হাতে না দিয়ে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ নেন চার প্রভাবশালী মাতব্বর — ফরিদ মাস্টার ও দেলোয়ার (দুজনেই ২০২৪-এর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট হত্যা মামলার আসামি), কৃষক দলের সাবেক এক নেতা এবং দলিল লেখক জালাল। গত ১১ নভেম্বর সালিশ বসিয়ে প্রথমে ১০ লাখ টাকা জরিমানা ধার্য করেন, পরে ৪ লাখে মীমাংসা করেন। টাকা একই দিনে দেন শিক্ষকের বাবা ও মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সামসুল হক তালুকদার।ভুক্তভোগী পাঁচ পরিবারের মধ্যে চার পরিবার ২৫ হাজার করে মোট ১ লাখ টাকা পেয়েছে, এক পরিবার কিছুই পায়নি। বাকি ৩ লাখ টাকা মাতব্বর, কৃষকদল নেতা, স্থানীয় কিছু সাংবাদিক ও ছিছকে যুবকদের মধ্যে ভাগ হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।২০২০ সালের সেপ্টেম্বরেও একই অপরাধে গ্রেপ্তার হওয়া শরীফুল এখনো এলাকায় অবাধে চলাফেরা করছেন, মাদ্রাসা চালু আছে।সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি শাহীনুর আলম জানান, এখনো কোনো অভিযোগ আসেনি; অভিযোগ এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকাবাসী মাতব্বরদের ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না, তবে সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছেন।ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় ক্ষোভের ঝড় বইছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *