Description: ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম ১ ডিসেম্বর (সোমবার) রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি দুর্নীতি মামলায়, যাতে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ক্ষমতার অপব্যবহার
Description: ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক রবিউল আলম ১ ডিসেম্বর (সোমবার) রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা একটি দুর্নীতি মামলায়, যাতে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর বোন শেখ রেহানা এবং ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনিয়মের মাধ্যমে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের কূটনৈতিক জোনে শেখ রেহানার নামে ১০ কাঠা সরকারি প্লট অবৈধভাবে বরাদ্দ নেওয়া হয়েছে, যদিও তাঁদের ঢাকায় বিদ্যমান সম্পত্তি থাকায় যোগ্যতা ছিল না এবং কোনো আনুষ্ঠানিক আবেদনও জমা দেওয়া হয়নি। দুদকের উপপরিচালক সালাহউদ্দিন ১৩ জানুয়ারি মামলা দায়ের করেন, যাতে প্রথমে ১৫ জনকে আসামি করা হয়, পরে সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া ১০ মার্চ অভিযোগপত্র জমা দিয়ে আরও দু’জন যুক্ত করেন, মোট ১৭ জন। অন্যান্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, শেখ হাসিনার সাবেক একান্ত সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন, এবং রাজউক ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যেমন মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, পুরবী গোলদার, অলিউল্লাহ, কাজী ওয়াছি উদ্দিন, মো. আনিছুর রহমান মিঞা, মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (অব.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী, মো. নুরুল ইসলাম, মাজহারুল ইসলাম, নায়েব আলী শরীফ। এটি দুদকের দায়ের করা ছয়টি মামলার একটি, যাতে শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের—সজীব ওয়াজেদ জয়, সায়মা ওয়াজেদ পুতুল, রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক এবং আজমিনা সিদ্দিক—নামে মোট ৬০ কাঠা প্লট অবৈধভাবে বরাদ্দের অভিযোগ রয়েছে, যা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশে করা হয়েছে। ৩১ জুলাই অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়, এবং মামলায় ৩২ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। ২৫ নভেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার পর রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়। অন্য তিনটি সংশ্লিষ্ট মামলায় ২৭ নভেম্বর রায় দেওয়া হয়েছে, যাতে শেখ হাসিনাকে ২১ বছর (প্রতি মামলায় সাত বছর) এবং জয় ও পুতুলকে পাঁচ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়, এবং বাকি মামলাগুলোতে বিচার চলমান রয়েছে আদালতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে। দুদকের অভিযোগ, শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সর্বোচ্চ ক্ষমতা ব্যবহার করে নিয়ম লঙ্ঘন করে এই বরাদ্দগুলো নিশ্চিত করেছেন।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *