728 x 90

সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বড় ধরনের পুনর্গঠন কার্যক্রম চালাচ্ছে ইরান

সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে বড় ধরনের পুনর্গঠন কার্যক্রম চালাচ্ছে ইরান

দেশটির হাউজিং ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ইতোমধ্যে প্রায় ৩৭ হাজার ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেরামত করা হয়েছে এবং ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে। এদিকে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের সুরক্ষায় ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সূত্র মতে, তারা সরাসরি জাহাজ পাহারা (Escort) না দিলেও তথ্য ও সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ রুট

দেশটির হাউজিং ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, ইতোমধ্যে প্রায় ৩৭ হাজার ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মেরামত করা হয়েছে এবং ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হবে। এদিকে, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের সুরক্ষায় ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সূত্র মতে, তারা সরাসরি জাহাজ পাহারা (Escort) না দিলেও তথ্য ও সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপদ রুট খুঁজে পেতে জাহাজগুলোকে সহায়তা করবে।

যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ও বাণিজ্যিক স্থাপনাগুলো মেরামতে বড় সাফল্যের দাবি করেছে ইরানের হাউজিং ফাউন্ডেশন। সংস্থাটি জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কয়েক হাজার স্থাপনার মধ্যে ইতোমধ্যে প্রায় ৩৭ হাজার ইউনিটের মেরামত কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে বসতবাড়ি যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে স্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

ইরানি কর্তৃপক্ষের তথ্যমতে, যুদ্ধ-পরবর্তী এই পুনর্গঠন কার্যক্রম অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। যদিও এখনো অনেক কাজ বাকি, তবে সরকারি রোডম্যাপ অনুযায়ী ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সব স্থাপনার মেরামত ও পূর্ণাঙ্গ পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ করতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ (Project Freedom) নামে নতুন এক উদ্যোগের কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সিএনএন ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন নৌবাহিনী সরাসরি কোনো বাণিজ্যিক জাহাজকে পাহারা দিয়ে বা ‘এসকর্ট’ করে নিয়ে যাবে না। বরং জলপথে পেতে রাখা মাইন বা অন্যান্য ঝুঁকি এড়াতে গোয়েন্দা তথ্য ও নিরাপদ রুটের নির্দেশনা দিয়ে জাহাজগুলোকে সহায়তা করা হবে। ওমানি জলসীমার দক্ষিণ দিক দিয়ে একটি ‘এনহ্যান্সড সিকিউরিটি এরিয়া’ বা বর্ধিত নিরাপত্তা অঞ্চল গড়ে তোলার মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ করিডোরে জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখা।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories