সোমবার (৪ মে) জাস্ক দ্বীপের কাছে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। এই ঘটনার পরপরই আইআরজিসি হরমুজ প্রণালীতে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে। এই উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ব তেলের বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় এবং নৌ-নিরাপত্তা ঝুঁকি ‘সংকটজনক’ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইউকেএমটিও। হরমুজ
সোমবার (৪ মে) জাস্ক দ্বীপের কাছে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরান। এই ঘটনার পরপরই আইআরজিসি হরমুজ প্রণালীতে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকার নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে। এই উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ব তেলের বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় এবং নৌ-নিরাপত্তা ঝুঁকি ‘সংকটজনক’ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ইউকেএমটিও।
হরমুজ প্রণালীর কৌশলগত জলসীমায় ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সতর্ক সংকেত উপেক্ষা করায় একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (৪ মে) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাস্ক দ্বীপের কাছে অবস্থানরত মার্কিন নৌ-বাহিনীর একটি জাহাজে দুটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। ঘটনাটি এমন এক সময়ে সামনে এল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে, সোমবার থেকে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হবে, যার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদ রুট দিয়ে বের করে আনা হবে। আইআরজিসি এর আগে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, হরমুজ প্রণালীতে যেকোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।
হামলার খবরের পাশাপাশি আইআরজিসি হরমুজ প্রণালীর ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী, পশ্চিম সীমা ইরানের কেশম দ্বীপের সর্বপশ্চিম প্রান্ত থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্ম আল-কুয়াইন পর্যন্ত এবং পূর্ব সীমা ইরানের মাউন্ট মোবারক থেকে আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সামরিক উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। জুলাই ডেলিভারির জন্য ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ব্যারেল প্রতি ১০৮.১১ ডলারে অবস্থান করছে, যা বিশ্লেষকদের মতে ইতিহাসের অন্যতম বড় জ্বালানি বিপর্যয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) আগে জানিয়েছিল যে তারা সরাসরি কোনো ‘এসকর্ট মিশন’ চালাবে না, তবে ১৫ হাজার সেনা ও ডেস্ট্রয়ারের মাধ্যমে জাহাজগুলোকে তথ্য সরবরাহ করবে। তবে এই হামলার বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ঝুঁকির মাত্রা বর্তমানে ‘সংকটজনক’ পর্যায়ে রয়েছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *