আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৬ মে ২০২৬ সম্ভাব্য নজরদারি ও গুপ্তচরবৃত্তির আশঙ্কায় বেইজিং ছাড়ার সময় চীনের দেওয়া কোনো উপহার ও সামগ্রী সঙ্গে নেয়নি মার্কিন প্রতিনিধি দল। উল্টো বিমানে ওঠার আগে বার্নার ফোন, পরিচয়পত্র এবং বিভিন্ন স্মারক উপহার ডাস্টবিনে ফেলে গেছেন তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৬ মে ২০২৬
সম্ভাব্য নজরদারি ও গুপ্তচরবৃত্তির আশঙ্কায় বেইজিং ছাড়ার সময় চীনের দেওয়া কোনো উপহার ও সামগ্রী সঙ্গে নেয়নি মার্কিন প্রতিনিধি দল। উল্টো বিমানে ওঠার আগে বার্নার ফোন, পরিচয়পত্র এবং বিভিন্ন স্মারক উপহার ডাস্টবিনে ফেলে গেছেন তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (১৫ মে) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তাঁর টিম এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে চীনা কর্মকর্তাদের দেওয়া বার্নার ফোন, ব্যাজ, প্রেস আমন্ত্রণপত্র এবং বিভিন্ন স্মারক ডাস্টবিনে ফেলে দেয়। নিউইয়র্ক পোস্টের হোয়াইট হাউস সংবাদদাতা এমিলি গডিন জানান, নিরাপত্তাজনিত কারণে চীনা উৎসের কোনো জিনিস বিমানটিতে নেওয়ার অনুমতি ছিল না। হোয়াইট হাউস নিরাপত্তা বিভাগ ও সিক্রেট সার্ভিস এই বিষয়টি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করেছে।
মূলত চীনের দেওয়া কোনো ইলেকট্রনিক্স বা সামগ্রীর মাধ্যমে সম্ভাব্য নজরদারি বা ট্র্যাকিং ঠেকাতেই এই নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে গুপ্তচরবৃত্তি এবং সাইবার নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে তীব্র উত্তেজনা চলছে।
ওয়াশিংটনে ফেরার আগে এই বিষয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ডোনাল্ড ট্রাম্প রসাত্মক ও বিস্ফোরক মন্তব্য করে বলেন, “আমরাও তাদের ওপর ব্যাপকভাবে গুপ্তচরবৃত্তি করি।” এই ঘটনাটি নিয়ে বর্তমানে আন্তর্জাতিক অঙ্গন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *