অনলাইন ডেস্ক | ০৪ জুন ২০২৬ হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পবিত্র হজব্রত পালনে গমনাগমনকারী হজযাত্রীদের লাগেজ বা মালামাল কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির সাম্প্রতিক সামাজিক ও গণমাধ্যমের অভিযোগের ওপর পরিচালিত উচ্চপর্যায়ের তদন্তে কোনো সুনির্দিষ্ট সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আজ এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এই অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়টি
অনলাইন ডেস্ক | ০৪ জুন ২০২৬
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পবিত্র হজব্রত পালনে গমনাগমনকারী হজযাত্রীদের লাগেজ বা মালামাল কেটে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরির সাম্প্রতিক সামাজিক ও গণমাধ্যমের অভিযোগের ওপর পরিচালিত উচ্চপর্যায়ের তদন্তে কোনো সুনির্দিষ্ট সত্যতা বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আজ এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এই অত্যন্ত সংবেদনশীল বিষয়টি দেশবাসীর সামনে স্পষ্ট করেন। তিনি জানান যে, হজযাত্রীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার পর পরই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও লাগেজ বেল্ট এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিবিড়ভাবে স্ক্রিনিং করেছে। তবে দীর্ঘ আইনি ও প্রশাসনিক কন্ডিশনিং শেষে প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে লাগেজ কাটার মতো কোনো বর্বরোচিত বা অপরাধমূলক ঘটনার অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি, যা দেশের বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনার ভাবমূর্তি রক্ষায় একটি বড় নীতিনির্ধারণী স্বস্তি।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিশদ তথ্যানুযায়ী, তদন্ত কমিটি বিমানবন্দর টার্মিনালের ভেতরে এবং রানওয়ে সংলগ্ন লাগেজ লোডিং-আনলোডিং জোনের প্রতিটি সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরার উচ্চমানের ফুটেজ সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করেছে। বিমান প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, বিমানবন্দরে হাজীদের সেবায় নিয়োজিত রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থার গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং টিম এবং অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারির কারণে এখানে বহিরাগত বা অভ্যন্তরীণ কারও পক্ষে লাগেজে হাত দেওয়া সম্পূর্ণ অসম্ভব। অনেক সময় দূরপাল্লার ভ্রমণের ধকল, বিমানের লাগেজ হোল্ডের অভ্যন্তরীণ চাপ অথবা দুর্বল ট্রাভেল ব্যাগের চেইনের ত্রুটির কারণে ব্যাগের ক্ষতি হতে পারে, যা অনেক যাত্রী ভুলবশত লাগেজ কাটা বা চুরি বলে মনে করে থাকেন। এই ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে এবং যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি বিমানবন্দরের জরুরি কমপ্লেইন ডেস্কে লিখিত অভিযোগ দায়ের করার জন্য তিনি দেশীয় নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে বিশেষভাবে আহ্বান জানান।
বিজ্ঞ নীতিনির্ধারক ও বিমানবন্দর নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি বছর হজের মতো বড় ধর্মীয় মেগা ইভেন্টকে কেন্দ্র করে এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল বিমানবন্দরের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে অপপ্রচার চালিয়ে থাকে, যা রোধে বর্তমান প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বিমান প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, হাজীদের মূল্যবান মালামাল সুরক্ষায় এবং তাদের হয়রানি মুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে কড়া নিরাপত্তা টহল এবং ডিজিটাল ট্র্যাকিং ব্যবস্থা আগের চেয়ে বহুগুণ জোরদার করা হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত এবং দেশের নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অবহেলা বা চুরির নূন্যতম ডিজিটাল প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত দণ্ডবিধি অনুযায়ী কঠোরতম আইনি শাস্তি কার্যকর করা হবে। সরকারি এই আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মাধ্যমে বিমানবন্দরকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া লাগেজ কাটার দীর্ঘদিনের ধোঁয়াশা ও সামাজিক উদ্বেগের অবসান ঘটবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *