728 x 90

বিজিবির বাধার মুখে ব্যর্থ বিএসএফ: পঞ্চগড় সীমান্তে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পতাকা বৈঠক

বিজিবির বাধার মুখে ব্যর্থ বিএসএফ: পঞ্চগড় সীমান্তে ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পতাকা বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক | ০৫ জুন ২০২৬ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নিখুঁত ও তাৎক্ষণিক কন্ডিশনিংয়ের মুখে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১০ জন নারী-পুরুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন (Push-in) করার একটি বড় অপচেষ্টা নজিরবিহীনভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আজ শুক্রবার (৫ জুন) ভোররাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বড়বাড়ি সীমান্ত এলাকায় এই সংবেদনশীল

অনলাইন ডেস্ক | ০৫ জুন ২০২৬

বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নিখুঁত ও তাৎক্ষণিক কন্ডিশনিংয়ের মুখে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১০ জন নারী-পুরুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশইন (Push-in) করার একটি বড় অপচেষ্টা নজিরবিহীনভাবে ব্যর্থ হয়েছে। আজ শুক্রবার (৫ জুন) ভোররাতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন বড়বাড়ি সীমান্ত এলাকায় এই সংবেদনশীল ঘটনাটি ঘটে। বিজিবির পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট আইনি ও কৌশলগত বাধার সম্মুখীন হয়ে বিএসএফ সদস্যরা অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে পুনরায় নিজেদের সীমান্তের অভ্যন্তরে পিছু হটতে বাধ্য হয়। বর্তমানে ওই ১০ জন ব্যক্তি ভারতীয় সীমান্তের শূন্যরেখা (Zero Line) থেকে মাত্র ২০ গজ ভেতরে অবস্থান করছেন, যা দুই দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় নিয়োজিত নীতিনির্ধারকদের মাঝে তীব্র মনস্তাত্ত্বিক ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

বিজিবির বড়বাড়ি সীমান্ত ফাঁড়ির (BOP) দায়িত্বপূর্ণ এলাকার আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ৭৫৮/৫ এর নিকটবর্তী ভারতের প্রধানপাড়া নামক স্থানে এই অনভিপ্রেত ঘটনাটি ঘটে। বিজিবির নিয়মিত টহল দলের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ভারতীয় ৯৩ টিয়াপাড়া ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গভীর রাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাঁটাতারের গেট খুলে দিয়ে ওই ১০ জন ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরায় নিয়োজিত বিজিবির জওয়ানরা বিষয়টি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক লাইনে দাঁড়িয়ে কড়া প্রতিরোধ গড়ে তোলে। বর্তমানে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং ভুল বোঝাবুঝি অবসানের লক্ষ্যে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে একটি জরুরি ‘পতাকা বৈঠক’ (Flag Meeting) চলমান রয়েছে, যার দিকে গভীর নজর রাখছে দেশের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ নীতিনির্ধারকরা।

এই পুশইনের ঘটনার পর সম্ভাব্য যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পঞ্চগড় জেলার প্রতিটি সংবেদনশীল সীমান্ত পয়েন্টে বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে স্পষ্ট করেছেন যে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন করার লক্ষ্যে অলরেডি বিশেষ উঠান বৈঠক ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষও স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবির সাথে সতর্ক পাহাড়ে শামিল হয়েছেন। বিজ্ঞ সামাজিক ও আন্তর্জাতিক নীতিনির্ধারকদের মতে, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক আইনি চুক্তি লঙ্ঘন করে বিএসএফের এই ধরনের আকস্মিক পদক্ষেপ সীমান্ত শান্তি চুক্তিকে বিঘ্নিত করতে পারে, যার স্থায়ী সমাধান আইনি ও কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমেই নিশ্চিত করা জরুরি।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories