728 x 90

ইসরায়েলি সেনা ও নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর একযোগে ১৪টি শক্তিশালী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!

ইসরায়েলি সেনা ও নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর একযোগে ১৪টি শক্তিশালী ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা!

অনলাইন ডেস্ক | ১০ জুন ২০২৬ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে অনুপ্রবেশকারী এবং অবস্থানরত ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সের (IDF) বিভিন্ন স্ট্র্যাটেজিক ক্যাম্প ও সাঁজোয়া বহর লক্ষ্য করে একযোগে ১৪টি শক্তিশালী সামরিক হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গত সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় রাত থেকে শুরু করে পুরো মঙ্গলবার

অনলাইন ডেস্ক | ১০ জুন ২০২৬

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম আল জাজিরার এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে অনুপ্রবেশকারী এবং অবস্থানরত ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সের (IDF) বিভিন্ন স্ট্র্যাটেজিক ক্যাম্প ও সাঁজোয়া বহর লক্ষ্য করে একযোগে ১৪টি শক্তিশালী সামরিক হামলা চালিয়েছে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। গত সোমবার (৮ জুন) স্থানীয় সময় রাত থেকে শুরু করে পুরো মঙ্গলবার পর্যন্ত এই দীর্ঘস্থায়ী একাধিক সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোষ্ঠীটির অফিশিয়াল মিডিয়া সেল থেকে প্রকাশিত এক উচ্চ-পর্যায়ের বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, ইসরায়েলি সেনাসদস্যদের সাঁজোয়া যান, লজিস্টিকস হাব এবং কমান্ড পোস্টগুলোকে নিখুঁতভাবে টার্গেট করে এই বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ড্রোন, গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র এবং দূরপাল্লার রকেট হামলা চালানো হয়েছে, যা সীমান্ত অঞ্চলের সামরিক কন্ডিশনিংকে নতুন করে উত্তপ্ত করে তুলেছে।

হিজবুল্লাহর যুদ্ধক্ষেত্রের বিবরণ ও লজিস্টিকস তথ্য অনুযায়ী, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকা বাইয়াদা, রাশাফ, আল-কাওজাহ এবং কান্তারা অঞ্চলে টহলরত ইসরায়েলি পদাতিক সেনা এবং সামরিক যানবাহনকে দফায় দফায় লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। গোষ্ঠীটি আরও দাবি করে যে, জাওতার আল-শারকিয়াহ ও খিয়াম নামক স্ট্র্যাটেজিক পয়েন্টে ইসরায়েলের দুটি শক্তিশালী সাঁজোয়া যান তাদের আত্মঘাতী ড্রোন হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। শুধু স্থলভাগেই নয়, আকাশ ও সমুদ্র প্রতিরক্ষাতেও হিজবুল্লাহ বড় ধরণের প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে; তারা ইকলিম আল-তুফাহ আকাশসীমায় উড্ডয়নরত ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর একটি অত্যাধুনিক ও কোটি ডলার মূল্যের ‘হার্মেস-৪৫০’ ড্রোনকে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপিত বিশেষ মিসাইল দিয়ে সফলভাবে প্রতিহত ও ভূপাতিত করেছে। এর পাশাপাশি ভূমধ্যসাগরীয় সীমান্ত সংলগ্ন রস আন-নাকুরা (রোশ হানিকরা) ইসরায়েলি নৌঘাঁটিতে একটি অত্যন্ত ক্ষিপ্র ও শক্তিশালী বিস্ফোরক ড্রোন স্কোয়াড্রন পাঠিয়ে নিখুঁত কন্ডিশনিং হামলা চালানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে একযোগে এই ১৪টি সফল হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির সমস্ত কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে বড় ধরণের ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে পূর্ণাঙ্গ আঞ্চলিক যুদ্ধ শুরুর কন্ডিশন তৈরি করছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories