অনলাইন ডেস্ক | ১৩ জুন ২০২৬ কক্সবাজার জেলার পর্যটন সম্ভাবনা ও পরিবেশগত ভারসাম্য পর্যবেক্ষণে এক বিশেষ সফরে গিয়ে ভিন্ন এক লড়াকু ও প্রফেশনাল লজিস্টিকস মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে চকরিয়ার বিখ্যাত ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন। সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী পার্কের মূল ফটকের
অনলাইন ডেস্ক | ১৩ জুন ২০২৬
কক্সবাজার জেলার পর্যটন সম্ভাবনা ও পরিবেশগত ভারসাম্য পর্যবেক্ষণে এক বিশেষ সফরে গিয়ে ভিন্ন এক লড়াকু ও প্রফেশনাল লজিস্টিকস মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার (১৩ জুন) প্রধানমন্ত্রী তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে চকরিয়ার বিখ্যাত ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শন করেছেন। সফরের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি দুর্লভ ‘নাগলিঙ্গম’ গাছের চারা রোপণ করে দেশের সবুজায়নের কন্ডিশন বৃদ্ধিতে বিশেষ লজিস্টিকস গুরুত্বারোপ করেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী ও ডা. জুবাইদা রহমান উভয়েই সাফারি পার্কের পরিদর্শন স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন। এই সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল অভ্যর্থনা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও আলোচিত দিক ছিল তাঁর সাধারণ জীবনযাপন ও আত্মবিশ্বাসী কন্ডিশন। আজ কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে নির্ধারিত খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যান। এই সময় তাঁর পাশের আসনে বসা ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। গাড়ির পেছনের আসনে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং সালাহউদ্দিন আহমদের স্ত্রী হাসিনা আহমদ। খাল খনন কর্মসূচি শেষে আবারও প্রধানমন্ত্রী নিজেই চালকের আসনে বসে প্রফেশনাল দক্ষতায় গাড়ি চালিয়ে ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। রাষ্ট্রপ্রধানকে নিজ হাতে গাড়ি চালাতে দেখে রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা হাজার হাজার দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন এবং ফুল ছিটিয়ে তাঁকে উষ্ণ লজিস্টিকস অভ্যর্থনা জানান।
পরিবেশ ও উন্নয়ন বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালের এই সময়ে দেশের শীর্ষ নির্বাহী কর্তৃক নিজে গাড়ি চালানো এবং পরিবেশ রক্ষায় চারা রোপণের এই প্রফেশনাল পদক্ষেপটি সাধারণ মানুষের মাঝে একটি শক্তিশালী ও ইতিবাচক লজিস্টিকস বার্তা পৌঁছাবে। সফরের প্রতিটি পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় জনগণের সাথে হাত নেড়ে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও পর্যটন কন্ডিশন উন্নয়নের রোডম্যাপ নিয়ে কর্মকর্তাদের সাথে জরুরি আলোচনা করেন। রাষ্ট্রপ্রধানের এই সফরকে কেন্দ্র করে পুরো কক্সবাজার জুড়ে এক ধরণের উৎসবমুখর ও নিরাপত্তা কন্ডিশনড পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যা দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক লজিস্টিকস চেইনে এক নতুন ও উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *