728 x 90

দেশজুড়ে হামের ভয়াবহ থাবা, ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু ও নতুন আক্রান্ত ৭৯৬; গত ৩ মাসে মোট প্রাণহানি ৬৪৮ জন

দেশজুড়ে হামের ভয়াবহ থাবা, ২৪ ঘণ্টায় ৫ জনের মৃত্যু ও নতুন আক্রান্ত ৭৯৬; গত ৩ মাসে মোট প্রাণহানি ৬৪৮ জন

অনলাইন ডেস্ক | ১৩ জুন ২০২৬ দেশে সংক্রামক ব্যাধি হামের প্রাদুর্ভাব ও সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে মারাত্মক ও অনিয়ন্ত্রিত রূপ ধারণ করছে, যা দেশের সার্বিক জনস্বাস্থ্য কন্ডিশনের ওপর চরম লজিস্টিকস চাপ সৃষ্টি করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশজুড়ে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে আরও

অনলাইন ডেস্ক | ১৩ জুন ২০২৬

দেশে সংক্রামক ব্যাধি হামের প্রাদুর্ভাব ও সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমান্বয়ে মারাত্মক ও অনিয়ন্ত্রিত রূপ ধারণ করছে, যা দেশের সার্বিক জনস্বাস্থ্য কন্ডিশনের ওপর চরম লজিস্টিকস চাপ সৃষ্টি করেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) দেশজুড়ে হামের তীব্র উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ জন রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে আরও ৭৯৬ জনের শরীরে এই ভাইরাসের লজিস্টিকস সংক্রমণ সফলভাবে শনাক্ত করা হয়েছে। আজ শনিবার (১৩ জুন) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত বিশেষ হেলথ বুলেটিনে দেশজুড়ে চলমান এই মহামারির প্রফেশনাল ও উদ্বেগজনক পরিসংখ্যান আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে, যা জনসাধারণের মাঝে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচ্চ-পর্যায়ের কন্ডিশনড প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চলতি বছরের গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই প্রলয়ঙ্করী সংক্রমণ চেইনে এ পর্যন্ত দেশে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় হামে আক্রান্ত হয়ে ৯২ জন এবং হামের সুনির্দিষ্ট উপসর্গ নিয়ে আরও ৫৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে দেশে হাম ও হামের লক্ষণজনিত কারণে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৪৮ জনে। এই নির্দিষ্ট ৩ মাসের সময়সীমায় সারা দেশে হামের প্রাথমিক লক্ষণ নিয়ে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলোর আউটডোরে চিকিৎসা নিতে গেছেন ৮৪ হাজার ৮৯৯ জন সাধারণ মানুষ। আর তাদের মধ্যে উন্নত পিসিআর ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে মোট ১০ হাজার ২৪৮ জনের শরীরে হামের সক্রিয় সংক্রমণ বা পজিটিভ কন্ডিশন ধরা পড়েছে, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মেডিকেল লজিস্টিকস চেইনের জোরদার ভূমিকার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করছে।

চিকিৎসা ও মহামারি বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০২৬ সালের এই মধ্যবর্তী সময়ে গরমের তীব্রতা ও আবহাওয়ার আকস্মিক পরিবর্তনের কারণে এই ছোঁয়াচে রোগটির কন্ডিশনিং আরও দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশু ও গর্ভবতী মায়েরা সঠিক সময়ে টিকাদানের লজিস্টিকস চেইনে যুক্ত না হতে পারায় এই ভাইরাসের বড় ধরণের ঝুঁকিতে পড়ছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে ইতিমধ্যেই দেশের সমস্ত সিভিল সার্জন কার্যালয় এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ হামের প্রতিষেধক ভ্যাকসিন এবং জরুরি লজিস্টিকস সাপোর্ট সরবরাহের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রিসভা ও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে যেকোনো লক্ষণ দেখা মাত্রই নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে যাওয়ার প্রফেশনাল পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যা এই প্রাদুর্ভাব রুখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories