বেনাপোল করেসপনডেন্ট | ১৩ জুন ২০২৬ ভালো কাজের লোভনীয় প্রলোভনে পড়ে দালালের খপ্পরে পড়ে বিভিন্ন অবৈধ সীমান্ত পথে ভারতে পাচার হওয়া ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে অবশেষে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত ৮টায় তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে সোপর্দ করে ভারতীয় পুলিশ প্রশাসন। ফেরত
বেনাপোল করেসপনডেন্ট | ১৩ জুন ২০২৬
ভালো কাজের লোভনীয় প্রলোভনে পড়ে দালালের খপ্পরে পড়ে বিভিন্ন অবৈধ সীমান্ত পথে ভারতে পাচার হওয়া ১৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে অবশেষে স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে গতকাল শুক্রবার (১২ জুন) রাত ৮টায় তাদের বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে সোপর্দ করে ভারতীয় পুলিশ প্রশাসন। ফেরত আসা এই ভুক্তভোগীদের বাড়ি বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, যশোর এবং কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। দেশের বর্তমান সীমান্ত কন্ডিশন ও মানব পাচার প্রতিরোধ চেইনে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সমঝোতা ও আইনি প্রটোকল সম্পন্ন করে এই নাগরিকদের নিরাপদ লজিস্টিকস প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মাঝে স্বস্তি এনে দিয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ মোর্তজা আলী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ফেরত আসা ১৪ জন নারী ও পুরুষের প্রাথমিক ইমিগ্রেশন ও স্বাস্থ্য কন্ডিশন পরীক্ষা শেষে আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার জন্য তাদের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে পাচারের শিকার এই নাগরিকদের প্রয়োজনীয় মানসিক ও আইনি লজিস্টিকস সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’ নামের একটি স্বনামধন্য আন্তর্জাতিক এনজিও সংস্থার প্রতিনিধি দলের কাছে তুলে দেওয়া হয়। ইমিগ্রেশন পুলিশের প্রফেশনাল তথ্য অনুযায়ী, দালালেরা এদেরকে উন্নত কর্মসংস্থানের ভুয়া আশ্বাস দিয়ে সীমান্ত পার করিয়েছিল, কিন্তু ভারতে প্রবেশের পরই তারা অনুপ্রবেশের কন্ডিশনে স্থানীয় পুলিশের হাতে আটক হন।
মানবাধিকার সংস্থা ‘জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার’-এর বেনাপোল শাখার প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম জানান, অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ এদেরকে আদালতে সোপর্দ করলে ভারতের একটি স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে তাদের কারাগার থেকে ছাড়িয়ে নিজস্ব নিরাপদ শেল্টার হোমে আশ্রয় দেয়। এরপর দুই দেশের স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের লজিস্টিকস চেইনের মাধ্যমে বিশেষ ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হলে দীর্ঘ কন্ডিশনিং শেষে তারা মাতৃভূমিতে ফেরার আইনি সুযোগ পান। জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ারের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগীদের আইনি লড়াই সচল রাখা এবং তাদের নিজ নিজ পরিবারে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়ার পূর্ণ আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের এই সময়ে সীমান্ত পথে মানব পাচার ও দালালের লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক চূর্ণ করতে বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী (BGB) নজরদারি আরও কড়া করেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *