আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৮ জুন ২০২৬ দীর্ঘ উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত হওয়ার পর পরই পারস্য উপসাগরের অবরুদ্ধ সমুদ্রপথে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত দীর্ঘদিনের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করার পরপরই ওমানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ সফলভাবে পাড়ি দিয়েছে ইরানের ১১টি বাণিজ্যিক
আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১৮ জুন ২০২৬
দীর্ঘ উত্তেজনার অবসান ঘটিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) চূড়ান্ত হওয়ার পর পরই পারস্য উপসাগরের অবরুদ্ধ সমুদ্রপথে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত দীর্ঘদিনের নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার করার পরপরই ওমানের কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালি’ সফলভাবে পাড়ি দিয়েছে ইরানের ১১টি বাণিজ্যিক জাহাজ। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিশ্ব গণমাধ্যম এই স্বস্তিদায়ক তথ্যটি নিশ্চিত করেছে। গত ১৭ জুন ফ্রান্সের জি-৭ সম্মেলনে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে বহুল প্রতীক্ষিত শান্তি চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জাহাজগুলো চলাচলের এই বিশেষ অনুমতি পায়।
শিপিং ও বন্দর কর্মকর্তাদের সূত্র অনুযায়ী, এই ১১টি জাহাজের মধ্যে ৮টি বড় পণ্যবাহী জাহাজ ইরানের আঞ্চলিক জলসীমা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক রুট বা জলসীমায় সফলভাবে প্রবেশ করেছে, যা বিশ্ব বাজারে পণ্য সরবরাহে গতি আনবে। অন্য দিকে, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রুট থেকে পণ্য বোঝাই করে ৩টি বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি হয়ে নিরাপদে ইরানের নিজস্ব জলসী মায় প্রবেশ করতে সক্ষম হয়েছে। বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেল ও সাধারণ পণ্য আনা-নেওয়ার জন্য হরমুজ প্রণালিকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা গত ৩ মাস ধরে পুরোপুরি বন্ধ ছিল।
সদ্য অনুমোদিত এই সমঝোতা স্মারকের মূল শর্ত অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে ইরান-বিরোধী সব ধরণের নৌ-অবরোধ ও সামরিক প্রতিবন্ধকতা সম্পূর্ণভাবে তুলে নেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর ঠিক বিনিময়ে ইরান সরকারও একটি বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে, আগামী ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বিশ্বের সব আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত (কোনো ফি ছাড়া) এবং শতভাগ নিরাপদ যাতায়াতের বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬ সালের এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপের ফলে বিশ্বজুড়ে জিনিসপত্রের দাম ও তেলের বাজার দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *