অর্থনৈতিক প্রতিবেদক | ১৮ জুন ২০২৬ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বড় অংকে কমে এসেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার অবসান, কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ইরানের তেলের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এক বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলস্বরূপ
অর্থনৈতিক প্রতিবেদক | ১৮ জুন ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ঐতিহাসিক অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বড় অংকে কমে এসেছে। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার অবসান, কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্তকরণ এবং ইরানের তেলের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের এক বড় সুযোগ তৈরি হয়েছে। ফলস্বরূপ বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ এক ধাক্কায় অনেক বেড়ে যাবে—এমন ধারণার ওপর ভিত্তি করেই আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৬৪ ডলার বা ২ দশমিক ০৬ শতাংশ কমে ৭৭ দশমিক ৯১ মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজার বা ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ দশমিক ৮০ ডলার বা ২ দশমিক ৩৪ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৭৪ দশমিক ৯৯ ডলারে। এর আগে গত বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে একটি কড়া বক্তব্য দেওয়ার পর বাজারে কিছুটা অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল এবং তেলের দাম সামান্য বেড়েছিল। তবে পরবর্তীতে দুই দেশের নতুন চুক্তি ও সমঝোতার খবর শতভাগ নিশ্চিত হতেই বাজারে দ্রুত স্বস্তি ফিরে আসে।
নতুন স্বাক্ষরিত ১৪ দফার এই সমঝোতায় আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই অন্তর্বর্তী সময়ে ইরান তাদের জলসীমার হরমুজ প্রণালী দিয়ে সব ধরণের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজকে কোনো প্রকার টোল বা ফি ছাড়া যাতায়াতের বিশেষ অনুমতি দিয়েছে। তবে বাজার বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী খুলে দিলেও তেলের দাম খুব দ্রুত একদম তলানিতে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা কম, কারণ বাজারে তেল সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি আগের মতো স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগবে। অন্য দিকে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) এক সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, এই চুক্তি যদি সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে বর্তমান বিশ্বজুড়ে চলা জ্বালানি সংকট কেটে ২০২৭ সাল নাগাদ বাজারে প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত তেল সরবরাহের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *