বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার যে ক্ষত তৈরি হয়েছিল নরওয়ে শিবিরে, দেশের মাটিতে পা রাখতেই তা এক পরম প্রাপ্তির আনন্দে পরিণত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) নরওয়ে ফুটবল দল রাজধানী অসলোতে পৌঁছালে বিমানবন্দরে ঐতিহ্যবাহী ‘ওয়াটার ক্যানন স্যালুট’ দিয়ে তাঁদের প্রথম অভিবাদন জানানো হয়। এরপর অসলোর রাস্তায় হুড খোলা বাসে চড়ে
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার যে ক্ষত তৈরি হয়েছিল নরওয়ে শিবিরে, দেশের মাটিতে পা রাখতেই তা এক পরম প্রাপ্তির আনন্দে পরিণত হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) নরওয়ে ফুটবল দল রাজধানী অসলোতে পৌঁছালে বিমানবন্দরে ঐতিহ্যবাহী ‘ওয়াটার ক্যানন স্যালুট’ দিয়ে তাঁদের প্রথম অভিবাদন জানানো হয়। এরপর অসলোর রাস্তায় হুড খোলা বাসে চড়ে শুরু হওয়া দলের বিজয় শোভাযাত্রা দেখতে এবং প্রিয় ভাইকিংসদের একনজর দেখতে কার্ল জোহানস গাতে ছাড়িয়ে রাজপ্রাসাদ চত্বর পর্যন্ত জড়ো হন এক লাখেরও বেশি উল্লসিত সমর্থক। রাজপ্রাসাদে পৌঁছে নরওয়ের রাজা পঞ্চম হ্যারাল্ডের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে রয়্যাল গার্ডের উপস্থিতিতে প্রাসাদের সিঁড়িতে এসে দাঁড়ান ফুটবলাররা। এই ঐতিহাসিক আয়োজনের অন্যতম সেরা চমক ছিল ক্রাউন প্রিন্স হাকনের স্বয়ং ড্রাম বাজিয়ে সমর্থকদের বিখ্যাত ‘ভাইকিং রো’ তালি ও হুংকার উদযাপনে নেতৃত্ব দেওয়া। তবে এই বিশেষ মুহূর্তে ফুটবলপ্রেমীদের একটু পোড়াবে মন, কারণ চার্টার্ড ফ্লাইট ৪ ঘণ্টা বিলম্বিত হওয়ার দরুন তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড ও সান্ডার বের্গেকে তাদের নিজ নিজ ক্লাবের পূর্বনির্ধারিত ফ্লাইট ধরার জন্য রাজকীয় উদযাপনের শেষ ভাগে উপস্থিত থাকার আগেই স্থান ত্যাগ করতে হয়। কোচ স্টলে সলবাকেন তাঁর শিষ্যদের এই বিদায় নেওয়ার কারণ পরিষ্কার করলেও অসলোর রাস্তায় উন্মুক্ত ছাদের বাসে ভেসে যাওয়া অভিনন্দন জোয়ার স্পষ্ট প্রমাণ করেছে—বিশ্বকাপ না জিতলেও নরওয়ের মানুষের হৃদয় ঠিকই জিতে নিয়েছে এই দল।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *