টানা অতিবৃষ্টি ও ত্রিপুরার পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত চট্টগ্রামে বন্যার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে বিষধর সাপের উপদ্রব। বন্যার পানিতে সাপের স্বাভাবিক আবাসস্থল তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে সাপগুলো মানুষের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও শুকনো জায়গায় অবস্থান নিচ্ছে। এর ফলে গত ৭ দিনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ জন মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে
টানা অতিবৃষ্টি ও ত্রিপুরার পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত চট্টগ্রামে বন্যার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে বৃদ্ধি পেয়েছে বিষধর সাপের উপদ্রব। বন্যার পানিতে সাপের স্বাভাবিক আবাসস্থল তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে সাপগুলো মানুষের ঘরবাড়ি, আসবাবপত্র ও শুকনো জায়গায় অবস্থান নিচ্ছে। এর ফলে গত ৭ দিনে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ জন মানুষ। আক্রান্তদের মধ্যে অনেকেই রাসেলস ভাইপার, কোবরা এবং অত্যন্ত বিষাক্ত সবুজ বোড়া সাপের কামড়ের শিকার হয়েছেন। বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ১৬ নম্বর মেডিসিন ওয়ার্ডে বেশ কয়েকজন রোগী ভর্তি আছেন, যাদের পা সাপের বিষের তীব্রতায় নীল বর্ণ ধারণ করেছে। চমেক হাসপাতালের অ্যান্টিভেনম রিসার্চ সেন্টারের কো-অর্ডিনেটর ডা. আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ জানিয়েছেন, জুলাই মাসের এই সময়ে আগে কখনো এত বেশি সাপে কাটা রোগী হাসপাতালে আসেনি। মানুষ ও সাপের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়লেও স্বস্তির বিষয় এই যে, আক্রান্তরা ওঝা-কবিরাজের কাছে না গিয়ে দ্রুত হাসপাতালে চলে আসায় এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর যখন মানুষ ঘরে ফিরতে শুরু করবে, তখন সাপের কামড়ের ঘটনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই বন্যাপ্লাবিত এলাকার বাসিন্দাদের ঘরে প্রবেশের সময় এবং ঘরের আনাচে-কানাচে হাত দেওয়ার আগে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *