বাংলাদেশের আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের অন্যতম শীর্ষনেতা সাদিক কায়েমের ছাত্রসংগঠন থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নেওয়ার পর এই গুঞ্জন আরও জোরদার হয়েছে। গতকাল সোমবার এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিনের প্রিয় সংগঠন ছাত্রশিবির থেকে তাঁর আনুষ্ঠানিক
বাংলাদেশের আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকার রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরের অন্যতম শীর্ষনেতা সাদিক কায়েমের ছাত্রসংগঠন থেকে আনুষ্ঠানিক বিদায় নেওয়ার পর এই গুঞ্জন আরও জোরদার হয়েছে। গতকাল সোমবার এক আবেগঘন ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে তিনি দীর্ঘদিনের প্রিয় সংগঠন ছাত্রশিবির থেকে তাঁর আনুষ্ঠানিক ছুটির কথা নিশ্চিত করেন। এর আগে গত ১ মে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়রপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে ছাত্রসংগঠনে যুক্ত থাকা অবস্থায় তাঁর সিটি নির্বাচনে অংশ নেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ কিছু আইনি ও কৌশলগত প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল। অন্যদিকে, ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ইতিমধ্যে তাদের মুখপাত্র ও সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদকে ডিএসসিসি মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ অবস্থায় জামায়াত জোটের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে একলা চলো নীতি গ্রহণ করবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল সংশয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সাদিক কায়েমের শিবির থেকে এই সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে তাঁর মেয়র পদে লড়াই করার বিষয়টি শতভাগ চূড়ান্ত। জামায়াত আসিফ মাহমুদকে সমর্থন দেওয়ার চেয়ে তাদের জনপ্রিয় তরুণ মুখ সাদিক কায়েমকে ট্রাম্প কার্ড হিসেবে ব্যবহার করে ঢাকার বুকে নিজেদের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক শক্তির বড় বার্তা দিতে কোমর বেঁধে মাঠে নামছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *