বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সরে দাঁড়ানো নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন সরকারের পতনের পর থেকেই সাবেক আওয়ামী
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধানের পদ থেকে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সরে দাঁড়ানো নিয়ে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর গুঞ্জন ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। বঙ্গভবনের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে আগামীকাল শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দিতে পারেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন সরকারের পতনের পর থেকেই সাবেক আওয়ামী লীগ শাসনামলে নির্বাচিত এই রাষ্ট্রপতির পদে থাকা না-থাকা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে বিএনপি সরকারের পক্ষ থেকে তাকে পদত্যাগের আহ্বান জানানোর খবর প্রকাশিত হলেও বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বিষয়টি অস্বীকার করেছেন। দেশের সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে স্পিকারের কাছে লিখিত পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার অস্থায়ীভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে সংসদীয় বা নির্ধারিত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। রাষ্ট্রপ্রধানের এই সম্ভাব্য পদত্যাগ ঘিরে দেশের সার্বিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নতুন করে সবার নজর আটকেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *