মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই ঐতিহাসিক একটি বেসামরিক পারমাণবিক ও দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের ঘোষণা অনুযায়ী, এই শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য শতকোটি ডলারের বিশাল অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে স্বাক্ষরিত যৌথ নিরাপত্তা চুক্তিটি দুই
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেই ঐতিহাসিক একটি বেসামরিক পারমাণবিক ও দ্বিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের ঘোষণা অনুযায়ী, এই শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে সৌদি আরবের পারমাণবিক শক্তি কর্মসূচিতে মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য শতকোটি ডলারের বিশাল অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে স্বাক্ষরিত যৌথ নিরাপত্তা চুক্তিটি দুই দেশের মধ্যে আগামী কয়েক দশকের জন্য কৌশলগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের আইনি ভিত্তি গড়ে তুলবে। মার্কিন ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্যমতে, এ চুক্তির আওতায় ভবিষ্যতে রিয়াদকে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সুযোগ দেওয়া হতে পারে, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি পারমাণবিক অস্ত্র সুরক্ষার ক্ষেত্রেও নতুন আলোচনা তৈরি করেছে। ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের সামুদ্রিক অবরোধ এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান তীব্র মানসিক ও সামরিক উত্তেজনার মাঝেই এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত এলো। সৌদি যুবরাজের ওয়াশিংটন সফরের ধারাবাহিকতায় স্বাক্ষরিত এই চুক্তি বৈশ্বিক সামরিক শক্তি এবং মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক শক্তির সমীকরণে বড় ধরণের পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *