728 x 90

ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার প্রস্তুতি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ট্রাম্প: সিবিএস নিউজ

ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ হামলার প্রস্তুতি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ট্রাম্প: সিবিএস নিউজ

ইরানের জ্বালানি খাত ও অর্থনৈতিক মূল অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় ও কঠোর সামরিক হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। একাধিক মার্কিন সূত্রের বরাতে প্রকাশিত সিবিএস নিউজের (CBS News) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইরানের তেল শোধনাগার এবং প্রধান প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে অভিযান

ইরানের জ্বালানি খাত ও অর্থনৈতিক মূল অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে এযাবৎকালের সবচেয়ে বড় ও কঠোর সামরিক হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। একাধিক মার্কিন সূত্রের বরাতে প্রকাশিত সিবিএস নিউজের (CBS News) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ইরানের তেল শোধনাগার এবং প্রধান প্রধান বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে অভিযান শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদন পায়নি।

সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক বাজারের ওপর এই হামলার প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে হোয়াইট হাউসে গভীর আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সপ্তাহের শুরুতে শেয়ার ও জ্বালানি বাজার খোলার আগেই সামরিক অভিযান শেষ করার বিষয়টি ভাবা হলেও কিছু রাজনৈতিক উপদেষ্টার বিরোধিতার কারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ ঝুলে রয়েছে। সিবিএস নিউজ জানায়, সম্প্রতি ক্যাম্প ডেভিডে অনুষ্ঠিত মার্কিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করেই বলেছেন, “আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত হানব, একপর্যায়ে তারা বলবে আর সহ্য করতে পারছি না।”

পেন্টাগনের প্রেস সেক্রেটারি ও কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নির্দেশ দেওয়া মাত্রই সামরিক বাহিনী ইরানের সামরিক ও অবকাঠামোগত সক্ষমতা ভেঙে দিতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণের প্রতিটি ঘটনার জবাবে ইরানের একটি করে গুরুত্বপূর্ণ সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। অন্যদিকে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, তাঁরা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত সমন্বয়ে থাকলেও সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণের আনুষ্ঠানিক অনুরোধের অপেক্ষায় রয়েছেন।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories