রংপুরে নিজ বাসার ছাদে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে একে একে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ, এবং এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় যুক্ত অভিযুক্ত মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ এক ব্রিফিংয়ে জানান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি
রংপুরে নিজ বাসার ছাদে মাদক সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চার সদস্যকে একে একে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ, এবং এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় যুক্ত অভিযুক্ত মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থকে ইতোমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ এক ব্রিফিংয়ে জানান, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাসার ছাদে অভিযুক্ত দুই যুবক মাদক সেবন করার সময় তিনি বাধা দিলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে প্রথমে তাকে গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। হত্যাকাণ্ড ও তাদের পরিচয় যেন জানাজানি না হয়, সেই উদ্দেশে ঘাতকেরা পরিবারের বাকি সদস্যদেরও হত্যা করার পরিকল্পনা করে। গণপতি চক্রবর্তী নিজেকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করার সময় সৃষ্ট শব্দ শুনে তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী ওপরের দিকে সিঁড়িতে উঠে এলে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়, এবং পরবর্তীতে প্রীতিলতার চিৎকার শুনে তাদের ২৫ বছর বয়সী স্নাতকোত্তর পাস মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী এগিয়ে এলে তাকেও চার থেকে পাঁচ মিনিট ধরে গামছা ও রশি দিয়ে মুখ ও গলা শক্ত করে পেঁচিয়ে ধরা হয়, যার ফলে প্রার্থীর চোয়াল ভেঙে চোখ বের হয়ে নির্মম মৃত্যু ঘটে। এরপর খুনিরা নিচতলায় নেমে রংপুর জিলা স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র প্রিয়ম চক্রবর্তীকেও কাপড়ে গলায় পেঁচিয়ে ও বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা নিশ্চিত করে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর সকাল হয়ে গেলে আসামিরা সেই বাসাতেই একে একে গোসল সারে, ডাইনিং টেবিলে থাকা বয়ামের খেজুর খায় এবং ঘটনাস্থলেই নিজেদের সাথে থাকা ইয়াবা সেবন করে চলে যায়। নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয় তাদের কারও সাথে কোনো বিরোধ ছিল না; প্রীতিলতার বোন পূজা স্বজনদের সাথে যোগাযোগে ব্যর্থ হয়ে রাতে বাড়িটিতে এসে প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ দেখতে পান এবং পরবর্তীতে প্রতিবেশীর বাড়ির ভেতর দিয়ে প্রবেশ করে ঘরের ভেতরের সবকিছু এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে গণপতি চক্রবর্তী, প্রীতিলতা চক্রবর্তী, তাদের সন্তান প্রার্থী ও প্রিয়মের নিথর দেহ উদ্ধার করে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *