728 x 90

সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই সেলাই! দীর্ঘ ছয় মাস শারীরিক যন্ত্রণার পর ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন রাজবাড়ীর বিথী আক্তার।

সিজারের সময় পেটে গজ রেখেই সেলাই! দীর্ঘ ছয় মাস শারীরিক যন্ত্রণার পর ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেলেন রাজবাড়ীর বিথী আক্তার।

 ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। এর প্রায় ছয় মাস পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের বাসিন্দা ও ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স বিথী আক্তার (২৫)। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিথীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত

 ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশনের সময় পেটে গজ রেখে সেলাই দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে। এর প্রায় ছয় মাস পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের বাসিন্দা ও ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স বিথী আক্তার (২৫)। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিথীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী রাকিবুল ইসলাম। বিথী গোয়ালন্দ উপজেলার উজানচর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের তমিজ উদ্দিন মৃধার পাড়া এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তার এই আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দের অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কন‌্যা সন্তা‌নের জন্ম দেন বিথী। কিন্তু অপারেশনের সময় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের মারাত্মক অবহেলায় তার পেটের ভেতর গজ রেখে সেলাই করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। অপারেশনের পর থেকেই তিনি তীব্র শারীরিক যন্ত্রণা ও নানা জটিলতায় ভুগতে শুরু করেন। শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে প্রথম অস্ত্রোপচারের প্রায় দুই মাস পর গত ১৫ জুলাই তার পেটে আবারও বড় ধরনের অস্ত্রোপচার করা হয়। পরবর্তী সময়ে অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে বেশ কিছুদিন আইসিইউতেও রাখা হয়। সবশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৪ অক্টোবর তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান।

বিথীর স্বামী রাকিবুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের চরম অবহেলার কারণেই তার স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে এবং তারা এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেবেন। নবজাতক সন্তানকে এখন কীভাবে সামলানো যাবে তা নিয়ে দিশেহারা এই পরিবার ঘটনায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন। এদিকে গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল হুদা জানিয়েছেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক এবং তদন্তে কারও দায় প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories