“চিন্তা কমাতেও চিন্তা করতে হয় মধ্যবিত্ত সন্তানদের”— গ্রেপ্তারের আগে ২০২৩ সালে নিজের ফেসবুকে প্রবাস জীবনের চরম বাস্তবতার কথা এভাবেই লিখেছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসী যুবক নজরুল ইসলাম মাহিন। পরিবারের আর্থিক দুঃখ-কষ্ট দূর করতে সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ২০২২ সালের নভেম্বরে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে মক্কার মসজিদুল হারামে (কাবা শরিফ) পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজও পেয়েছিলেন।
“চিন্তা কমাতেও চিন্তা করতে হয় মধ্যবিত্ত সন্তানদের”— গ্রেপ্তারের আগে ২০২৩ সালে নিজের ফেসবুকে প্রবাস জীবনের চরম বাস্তবতার কথা এভাবেই লিখেছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার প্রবাসী যুবক নজরুল ইসলাম মাহিন। পরিবারের আর্থিক দুঃখ-কষ্ট দূর করতে সাত লাখ টাকা ঋণ নিয়ে ২০২২ সালের নভেম্বরে সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে মক্কার মসজিদুল হারামে (কাবা শরিফ) পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজও পেয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সৌদি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তিন বছর তিন মাস কারাগারে বন্দি থেকে অবশেষে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। মর্মান্তিক এই খবরের পর তাঁর পুরোনো ফেসবুক পোস্টগুলো সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে ভাইরাল হয়ে সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের আবহ সৃষ্টি করেছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, সৌদি যাওয়ার মাত্র ৬ মাস পর মক্কার একটি মসজিদে এক তরুণীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে নজরুলসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে দেশটির পুলিশ। গত বুধবার (১৪ অক্টোবর) হঠাৎ পরিবারের অজান্তেই তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়, যা পরবর্তীতে গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়ে পরিবারটি। এই খবর পাওয়ার পরপরই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তাঁর ফুফু আবেদা বেগম। নজরুলের নিথর দেহটি অন্তত শেষবারের মতো দেশে ফিরিয়ে আনার আকুল আবেদন জানিয়েছেন তাঁর অসহায় বাবা-মা। এদিকে তিন বছর কারাগারে থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ দূতাবাসের আইনি ও কূটনৈতিক সহায়তার ঘাটতি এবং নীরব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী ও সামাজিক সংগঠকেরা।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *