সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট ৩’-এর উদ্যোগে দেইর আল-বালাহ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩০০ ফিলিস্তিনি যুগলের এক বিশাল গণবিয়ে। ‘গাজা আনন্দ পাওয়ার যোগ্য’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি প্রমাণ করে যে, চরম প্রতিকূলতার মাঝেও ফিলিস্তিনিদের অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও প্রাণচাঞ্চল্য অটুট রয়েছে। অবিরাম বিমান হামলা আর ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও উৎসবের আমেজ ফিরেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায়। গত
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ‘অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট ৩’-এর উদ্যোগে দেইর আল-বালাহ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩০০ ফিলিস্তিনি যুগলের এক বিশাল গণবিয়ে। ‘গাজা আনন্দ পাওয়ার যোগ্য’ স্লোগানকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি প্রমাণ করে যে, চরম প্রতিকূলতার মাঝেও ফিলিস্তিনিদের অদম্য ইচ্ছাশক্তি ও প্রাণচাঞ্চল্য অটুট রয়েছে।
অবিরাম বিমান হামলা আর ধ্বংসযজ্ঞের মাঝেও উৎসবের আমেজ ফিরেছে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায়। গত শুক্রবার দেইর আল-বালাহ শহরে ৩০০ ফিলিস্তিনি যুগলের এক জমকালো গণবিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘গাজা আনন্দ পাওয়ার যোগ্য’ শীর্ষক এই উদ্যোগটি নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত মিশনের ‘অপারেশন শিভ্যালরাস নাইট ৩’। ধ্বংসস্তূপের ওপর নির্মিত বিশাল মঞ্চে ফিলিস্তিনি পতাকা ও আলোকসজ্জার মাঝে নতুন জীবন শুরু করার শপথ নেন এই তরুণ দম্পতিরা।
ঐতিহ্যবাহী নকশা করা সাদা গাউন আর সুসজ্জিত স্যুটে সজ্জিত হয়ে বর-কনেরা যখন মঞ্চে আসেন, তখন পুরো এলাকা ফিলিস্তিনি নাচ ও গানে মুখরিত হয়ে ওঠে। এই আয়োজনে অংশ নেওয়া দম্পতিরা জানান, যুদ্ধ তাদের ঘর কেড়ে নিলেও জীবনের স্বপ্ন কেড়ে নিতে পারেনি। আরব আমিরাত মিশনের প্রধান আলী আল শাহী বলেন, এই আয়োজন গাজার জনগণের অটুট মনোবল ও প্রতিকূলতার মাঝে আনন্দ সৃষ্টির এক অনন্য উদাহরণ। তিনি আবারও নিশ্চিত করেন যে, ফিলিস্তিনিদের এই কঠিন সময়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত সবসময় তাদের পাশে থাকবে। এই গণবিয়ে কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং বিশ্ববাসীর কাছে গাজার মানুষের অদম্য টিকে থাকার এক জোরালো বার্তা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *