গতকাল শনিবার বিকেলে জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে। বর্তমানে গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে তেল খালাস কার্যক্রম চলছে। এই চালানের পাশাপাশি দুবাই ও তাইওয়ান থেকেও বিপুল পরিমাণ ডিজেল আসায় দেশের জ্বালানি তেলের মজুদ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চট্টগ্রাম বন্দরে বড় আকারের জেট ফুয়েল ও ডিজেলের বেশ কয়েকটি চালান
গতকাল শনিবার বিকেলে জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে নোঙর করে। বর্তমানে গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে তেল খালাস কার্যক্রম চলছে। এই চালানের পাশাপাশি দুবাই ও তাইওয়ান থেকেও বিপুল পরিমাণ ডিজেল আসায় দেশের জ্বালানি তেলের মজুদ আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে চট্টগ্রাম বন্দরে বড় আকারের জেট ফুয়েল ও ডিজেলের বেশ কয়েকটি চালান এসে পৌঁছেছে। গত শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে ৩৪ হাজার মেট্রিক টন বিমানের জ্বালানি নিয়ে বহির্নোঙরে নোঙর করে চীনের পতাকাবাহী ১৮২.৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজ ‘শিং তং ৭৯৯’। জাহাজটির ড্রাফট বা গভীরতা বেশি হওয়ায় এটি সরাসরি জেটিতে ভিড়তে পারেনি; বর্তমানে কুতুবদিয়া সংলগ্ন গভীর সমুদ্রে লাইটার জাহাজের মাধ্যমে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে।
জাহাজটির স্থানীয় এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইনস জানিয়েছে, কিছু পরিমাণ তেল খালাস করার পর জাহাজের ওজন ও গভীরতা কমলে সেটিকে বন্দরের মূল জেটিতে নিয়ে আসা হবে। এর আগে গত ১৪ এপ্রিল সিঙ্গাপুর থেকেও ১১ হাজার টন জেট ফুয়েল এসেছিল।
বিমানের জ্বালানির পাশাপাশি ডিজেল আমদানিতেও গতি এসেছে। গত শনিবার ভোরে দুবাই থেকে ৩৫ হাজার ৫৫ টন ডিজেল নিয়ে ভিড়েছে ‘প্রিভে অ্যাঞ্জেল’ এবং শুক্রবার তাইওয়ান থেকে ৩৩ হাজার ৪০০ টন ডিজেল নিয়ে এসেছে ‘এমটি কোয়েটা’ নামক একটি পাকিস্তানি ট্যাংকার। জ্বালানি খাতের এই ধারাবাহিক সরবরাহ দেশের অর্থনৈতিক ও পরিবহন ব্যবস্থা সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *