শনিবার প্রকাশিত মার্কিন সরকারি নীতিমালা দফতরের আর্থিক নথিতে দেখা গেছে, তিনি মিউনিসিপাল বন্ড ও ট্রেজারি বন্ডের পাশাপাশি প্রযুক্তি, জ্বালানি ও স্বাস্থ্য খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বড় অংকের বিনিয়োগ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাবের মাঝে নিজের সম্পদ সুরক্ষিত রাখতেই ট্রাম্পের এই কৌশল। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বিনিয়োগের চমকপ্রদ তথ্য
শনিবার প্রকাশিত মার্কিন সরকারি নীতিমালা দফতরের আর্থিক নথিতে দেখা গেছে, তিনি মিউনিসিপাল বন্ড ও ট্রেজারি বন্ডের পাশাপাশি প্রযুক্তি, জ্বালানি ও স্বাস্থ্য খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতেও বড় অংকের বিনিয়োগ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রভাবের মাঝে নিজের সম্পদ সুরক্ষিত রাখতেই ট্রাম্পের এই কৌশল।
ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বিনিয়োগের চমকপ্রদ তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন সরকারি নীতিমালা দফতরের ডিসক্লোজার অনুযায়ী, গত মার্চ মাসে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মোট ১৭৫টি আর্থিক লেনদেন করেছেন। যদিও প্রতিটি লেনদেনের সুনির্দিষ্ট অংক উল্লেখ করা হয়নি, তবে নথিপত্র বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তিনি অন্তত ৫১ মিলিয়ন ডলারের বন্ড সংগ্রহ করেছেন।
ট্রাম্পের এই বিনিয়োগের তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন রাজ্যের মিউনিসিপাল বন্ড, স্কুল ডিস্ট্রিক্ট এবং সরকারি সংস্থার বন্ড। এছাড়া বড় অংকের বিনিয়োগ দেখা গেছে মাইক্রোসফট, মেটা, এনভিডিয়া ও ব্রডকমের মতো প্রযুক্তি জায়ান্ট এবং জেপি মরগান ও গোল্ডম্যান স্যাক্সের মতো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে। নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, তাঁর মোট বন্ড বিনিয়োগের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য মূল্য প্রায় ১৬১ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, চলমান ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বাজার অস্থিরতার কারণে ট্রাম্প নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বন্ডকে বেছে নিয়েছেন। এছাড়া জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে তাঁর এই বিশাল বিনিয়োগ ভবিষ্যতে বড় ধরণের আর্থিক মুনাফা অর্জনের একটি কৌশল হতে পারে। এই তথ্য প্রকাশের পর মার্কিন রাজনীতিতে প্রেসিডেন্টের আর্থিক স্বচ্ছতা ও স্বার্থের সংঘাত নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *