ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনার সাথে জড়িয়ে থাকা কয়েক প্রজন্মের আবেগ ‘পানিনি স্টিকার অ্যালবাম’ ২০৩০ সালেই শেষবারের মতো দেখা যাবে। ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপ থেকে শুরু হওয়া এই ঐতিহ্যের সমাপ্তি ঘটছে ফিফার নতুন ব্যবসায়িক চুক্তির কারণে। দীর্ঘ ৬০ বছরের এই পথচলা শেষে ২০৩১ সাল থেকে ফিফা বিশ্বকাপের স্টিকার ও ট্রেডিং কার্ড তৈরির দায়িত্ব পাচ্ছে ফ্যানাটিকস-এর মালিকানাধীন ব্র্যান্ড
ফুটবল বিশ্বকাপের উত্তেজনার সাথে জড়িয়ে থাকা কয়েক প্রজন্মের আবেগ ‘পানিনি স্টিকার অ্যালবাম’ ২০৩০ সালেই শেষবারের মতো দেখা যাবে। ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপ থেকে শুরু হওয়া এই ঐতিহ্যের সমাপ্তি ঘটছে ফিফার নতুন ব্যবসায়িক চুক্তির কারণে। দীর্ঘ ৬০ বছরের এই পথচলা শেষে ২০৩১ সাল থেকে ফিফা বিশ্বকাপের স্টিকার ও ট্রেডিং কার্ড তৈরির দায়িত্ব পাচ্ছে ফ্যানাটিকস-এর মালিকানাধীন ব্র্যান্ড ‘টপস’ (Topps)।
পানিনি কেবল একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ছিল না, বরং এটি ছিল ফুটবল বিশ্বের সাথে সমর্থকদের পরিচয়ের প্রথম মাধ্যম। প্যারাগুয়ে বা আইভরি কোস্টের মতো দেশের ফুটবলারদের সাথে কিশোর ভক্তদের প্রথম দেখা হতো এই স্টিকারের মাধ্যমেই। তবে সময়ের সাথে সাথে এটি ব্যয়বহুলও হয়ে উঠেছে। ১৯৭০ সালে একটি অ্যালবাম পূর্ণ করতে যেখানে ২৫০টি স্টিকার লাগত, বর্তমানে সেখানে প্রয়োজন ৯৮০টি স্টিকার, যার খরচ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮৫ হাজার টাকারও বেশি। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই নতুন চুক্তিকে বাণিজ্যিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে দেখলেও, ফুটবল প্রেমীদের কাছে এটি কেবল একটি চুক্তির পরিবর্তন নয়, বরং তাদের চিরচেনা শৈশব ও ফুটবলের ঐতিহ্যের একটি অংশের চিরবিদায়। তবে স্বস্তির খবর হলো, ২০৩০ বিশ্বকাপ পর্যন্ত ভক্তরা পানিনির এই চিরচেনা স্টিকার অ্যালবাম সংগ্রহ করতে পারবেন।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *