আন্তর্জাতিক ও ধর্মীয় ডেস্ক | ১৯ মে ২০২৬ আসন্ন পবিত্র হজ মৌসুমে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত লাখো মুসলিম উম্মাহর ভাষাগত বাধা দূর করতে এক নজিরবিহীন ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। এবারের হজের মূল খুতবা আরবির পাশাপাশি বাংলা, উর্দু, ইন্দোনেশিয়ান, তুর্কি, ফার্সি, ইংরেজি, ফরাসি এবং সোয়াহিলিসহ বিশ্বের মোট ৫০টি ভাষায় একযোগে অনুবাদ করার
আন্তর্জাতিক ও ধর্মীয় ডেস্ক | ১৯ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র হজ মৌসুমে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে আগত লাখো মুসলিম উম্মাহর ভাষাগত বাধা দূর করতে এক নজিরবিহীন ও ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ। এবারের হজের মূল খুতবা আরবির পাশাপাশি বাংলা, উর্দু, ইন্দোনেশিয়ান, তুর্কি, ফার্সি, ইংরেজি, ফরাসি এবং সোয়াহিলিসহ বিশ্বের মোট ৫০টি ভাষায় একযোগে অনুবাদ করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। গতকাল সোমবার (১৮ মে) মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম ‘আরব নিউজ’ (Arab News) এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর ও স্বস্তিদায়ক তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ভাষার কোটি কোটি মানুষ যাতে হজের মূল বার্তা সহজে বুঝতে পারেন, সেজন্য সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদ (মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববী) বিষয়ক সাধারণ কর্তৃপক্ষ এই মেগা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। হজযাত্রীরা ‘মানারাত আল-হারামাইন’ (Manarat al-Haramain) নামক বিশেষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং এফএম রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে নিজেদের সুবিধাজনক ভাষায় তাৎক্ষণিকভাবে খুতবার অনুবাদ শুনতে পারবেন।
শুধু খুতবা অনুবাদই নয়, বরং হজের প্রতিটি ধর্মীয় নিয়ম-কানুন ও জরুরি দিকনির্দেশনা দিতে পবিত্র হারামাইন শরিফাইনে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক ওয়্যারলেস হেডফোন এবং ডিজিটাল গাইড কার্ড। এর মাধ্যমে ৫০টিরও বেশি ভাষায় হাজিরা যেকোনো ইসলামিক ফতোয়া এবং তথ্য সহজে জেনে নিতে পারবেন। এছাড়াও পবিত্র মসজিদুল হারামের ভেতরে স্থাপন করা হয়েছে বহুভাষিক বই, নির্দেশনামূলক আধুনিক সাইনবোর্ড, ইলেকট্রনিক স্ক্রিন এবং বিভিন্ন ভাষায় নিখুঁতভাবে অনূদিত পবিত্র কোরআনুল কারিমের লাখো কপি।
সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এবার মক্কা ও মদিনার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বহুভাষিক দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক এবং বিশেষ ফিল্ড টিম মোতায়েন করা হয়েছে। এই দলগুলো হাজিদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালনে সার্বক্ষণিক গাইড হিসেবে কাজ করবেন। সৌদি কর্তৃপক্ষের এই দূরদর্শী ও প্রযুক্তি-বান্ধব পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের হজযাত্রীরা যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি সহজ, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে তাঁদের কাঙ্ক্ষিত হজ সম্পন্ন করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *