জাতীয় ও অপরাধ ডেস্ক | ২০ মে ২০২৬ রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এক মেগা ব্রেকথ্রু অর্জন করেছে পুলিশ। লোমহর্ষক এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার সহযোগী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পল্লবী থানা পুলিশ।
জাতীয় ও অপরাধ ডেস্ক | ২০ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ৭ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় এক মেগা ব্রেকথ্রু অর্জন করেছে পুলিশ। লোমহর্ষক এই হত্যাকাণ্ডের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার সহযোগী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পল্লবী থানা পুলিশ। গ্রেফতারের পর প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। আজ বুধবার (২০ মে) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি শেষে তাকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল ৯টার দিকে পল্লবীর একটি বাসায় দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর থেকেই পুরো এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং খুনিদের গ্রেফতারের দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। ঘটনার ভয়াবহতা বিবেচনা করে মিরপুর জোনের পুলিশ প্রশাসন দ্রুততম সময়ে ঘাতকদের আইনের আওতায় আনতে মাঠে নামে।
পল্লবী থানা পুলিশ জানায়, লজিস্টিক ও উন্নত তথ্যপ্রযুক্তির (Information Technology) সহায়তায় ঘাতকদের অবস্থান নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করা হয়। এরপর বিশেষ দল গঠন করে একযোগে রাজধানীর মিরপুর এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় চিরুনি অভিযান চালানো হয়। অভিযানে প্রথমে মিরপুর থেকে সহযোগী স্বপ্না আক্তারকে এবং পরবর্তীতে ফতুল্লা এলাকা থেকে পালিয়ে থাকা মূল ঘাতক সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদেই সোহেল রানা রামিসাকে ধর্ষণ ও পরবর্তীতে গলা কেটে হত্যার কথা স্বীকার করে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শিশু রামিসা হত্যার মতো এমন একটি বর্বরোচিত ও সংবেদনশীল মামলার ক্ষেত্রে পুলিশ প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছে। মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে আসামিদের গ্রেফতার ও আদালতে ঘাতকের এই জবানবন্দি মামলার দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এই জঘন্য অপরাধের পেছনের মূল মোটিভ এবং সহযোগী স্বপ্নার সম্পৃক্ততার গভীরতা জানতে পুলিশ তদন্ত জারি রেখেছে। এই নৃশংস ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহত রামিসার পরিবার ও মিরপুরের সাধারণ মানুষ।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *