জাতীয় ও নাগরিক আন্দোলন ডেস্ক | ২২ মে ২০২৬ রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত নরপশুদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি ও ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে এবার রাজপথে নেমেছেন দেশের সুশীল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় ব্যানার
জাতীয় ও নাগরিক আন্দোলন ডেস্ক | ২২ মে ২০২৬
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির নিষ্পাপ শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় জড়িত নরপশুদের দ্রুততম সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি ও ফাঁসি কার্যকরের দাবিতে এবার রাজপথে নেমেছেন দেশের সুশীল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। আজ শুক্রবার (২২ মে) সকালে রাজধানীর গুলশান-২ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে এক বিশাল ও স্বতঃস্ফূর্ত মেগা মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে ‘গুলশান সোসাইটি’। মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বিশিষ্ট নাগরিকরা অভিযোগ করেন, দেশে বিচার প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার সুযোগ নিয়ে এবং আইনের নানা ফাঁকফোকর গলে প্রতিবারই এই ধরণের জঘন্য অপরাধীরা পার পেয়ে যায়, যা সমাজে অপরাধের প্রবণতাকে আরও বহু গুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে।
মানববন্ধনে দাঁড়িয়ে গুলশান সোসাইটির শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সাত বছরের একটি শিশু, যে মাত্র স্কুলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তাকে যেভাবে পাশের ফ্ল্যাটের নরপশু টেনে নিয়ে গিয়ে হত্যা করল—তা পুরো মানবজাতিকে লজ্জিত করেছে। আমরা প্রায়ই দেখি, এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হলেও পরবর্তীতে বিচারের মেগা ধীরগতির কারণে মূল অপরাধীরা একসময় আড়ালে চলে যায়। রামিসা হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে আমরা এর কোনো ব্যতিক্রম বা আইনি ঢিলেমি দেখতে চাই না।” বক্তারা অনতিবিলম্বে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের ঘাতকদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত ও তা দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি মেগা জোর দাবি জানান।
বক্তারা আরও উল্লেখ করেন, গতকালই দেশের আইনমন্ত্রী এই মামলায় এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমার কড়া ডেডলাইন দিয়েছেন এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও ভুক্তভোগী পরিবারের বাসায় গিয়ে রামিসার বড় বোনের সম্পূর্ণ মেগা দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন—যা প্রশংসনীয়। তবে এই রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির পাশাপাশি আদালতের টেবিলে যেন দ্রুততম সময়ে আসামির ফাঁসির রায় আসে, সেটি নিশ্চিত করাই এখন রাষ্ট্র ও জুডিশিয়ারির সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিককে এই আন্দোলনের সাথে মেগা একাত্মতা প্রকাশের আহ্বান জানান গুলশান সোসাইটির সদস্যরা।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৯ মে) পল্লবীর একটি বাসা থেকে শিশু রামিসার রক্তাত্ব ও গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মাথায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে মূল অভিযুক্ত ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারের পর ইতিমধ্যেই আদালতে নিজের জঘন্য ও বর্বরোচিত অপরাধের কথা স্বীকার করে মেগা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক সোহেল রানা। গুলশান সোসাইটির এই মেগা মানববন্ধন সুশীল সমাজের মাঝে খুনিদের ফাঁসি ও দ্রুত বিচারের দাবিকে আরও জোরালো করে তুলেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *