728 x 90

জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গভীর শ্রদ্ধা

জাতীয় কবির ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গভীর শ্রদ্ধা

জাতীয় ডেস্ক | ২৪ মে ২০২৬ বাংলা সাহিত্যের দ্রোহ, সাম্য ও মানবতার অগ্রদূত, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কবির জন্মজয়ন্তীর এই মহিমান্বিত লগ্নে কবিকে অনিঃশেষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন সরকারপ্রধান। আজ রোববার (২৪

জাতীয় ডেস্ক | ২৪ মে ২০২৬

বাংলা সাহিত্যের দ্রোহ, সাম্য ও মানবতার অগ্রদূত, আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কবির জন্মজয়ন্তীর এই মহিমান্বিত লগ্নে কবিকে অনিঃশেষ কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করার পাশাপাশি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেছেন সরকারপ্রধান। আজ রোববার (২৪ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিশেষ ও সুদীর্ঘ বার্তায় জাতীয় কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য ও মূল্যায়ন তুলে ধরেন।

ফেসবুক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমাদের জাতীয় ইতিহাসের অবিস্মরণীয় নাম কাজী নজরুল ইসলাম। পরাধীন, পর্যুদস্ত, পরাভূত জাতির भाग्यাকাশে তাঁর আবির্ভাব ছিল আলোকবর্তিকার মতো, দিকনির্দেশক বাতিঘরের মতো। মুমূর্ষু জাতিকে জাগিয়ে দিয়ে সামগ্রিকভাবে সচেতন ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য যে সর্বপ্লাবী প্রতিভার তখন দরকার হয়ে পড়েছিল, জাতীয় কবি ছিলেন সেই প্রার্থিত ও বহু কাঙ্ক্ষিত প্রতিভা।” প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কাজী নজরুল ইসলামের পুরো জীবনটাই যেন ছিল এক যুদ্ধ ঘোষণা এবং একটা অনন্যসাধারণ বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহ ছিল ঔপনিবেশিক শাসন, পরাধীনতা, জুলুম, নির্যাতন, শোষণ, অসাম্য, বৈষম্য, কুসংস্কার ও ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে; তথা সকল অন্যায়, অবিচার ও অসুন্দরের বিরুদ্ধে।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় কবির বহুুমাত্রিক অবদান তুলে ধরে বলেন, “মানুষ, মানবতা, স্বাধীনতা, শোষণমুক্ত সমাজ ও নারীমুক্তির জন্য তাঁর চেয়ে বেশি শিল্পসফল শব্দ আর কেউ রচনা করেননি। তিনিই আমাদের প্রথম কবি, সাংবাদিক ও রাজনীতিক যিনি ঔপনিবেশিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে উপমহাদেশের পূর্ণ স্বাধীনতা দাবি করেন। জাতি, धर्म, বর্ণ, গোত্র- নির্বিশেষে মানুষের প্রতি তাঁর যে দরদ ও দীপ্ত অঙ্গীকার তা তুলনাহীন।” মাতৃভূমিকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে কবিকে অন্যতম প্রধান দিশারি উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের জীবন, আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, সংগ্রাম, সাহিত্য, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্য কবির রচনার মধ্যে মহিমাময় সৌন্দর্যে প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে। অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষেত্রে নজরুলই আমাদের প্রধান পাথেয় এবং তাঁর প্রাসঙ্গিকতা ও প্রয়োজন কখনো ফুরানোর নয়।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “আমাদের মুক্তিযুদ্ধে ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তাঁর কবিতা ও গান যেমন ছিল অনুপ্রেরণার প্রবল উৎস, তেমনই আমাদের সকল আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর সৃষ্টিশীলতাই হয়ে ওঠে প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মূল ভাষা। তিনি আমাদের যাপিত জীবনের অনিবার্য অংশ।” মাত্র দুই দশকের সাধনা দিয়ে কবি জাতিকে আত্মप्रत्यয়মণ্ডিত করে জাতীয় সাহিত্য-সংস্কৃতির পাটাতন নির্মাণ করে গেছেন এবং সত্যিকার অর্থেই তিনি জাতীয় রেনেসাঁর নিশানবরদার। বাংলাদেশ ও কাজী নজরুল ইসলাম এক অবিভাজ্য সত্তা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বিশ্ব কবিসভারও গুরুত্বপূর্ণ নায়ক, আমাদের জাতীয় সত্তার সার্থক প্রতিনিধি, জাতীয় চেতনার প্রতীক এবং আমাদের জাতীয়তাবাদের পথিকৃৎ। পরিশেষে, জাতীয় কবির জন্মদিনে অন্যায়, অবিচার, ক্ষুধা, দারিদ্র্য ও বিভেদের গ্লানি মুছে ফেলে সবাইকে সবার আগে বাংলাদেশকে ধারণ করে, স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে একটি সুখী-সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক মাতৃভূমির জন্য নিজেদের নিবেদিত করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories