728 x 90

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে দেশে ফিরলেন ১৭০ ভাগ্যাহত বাংলাদেশি

লিবিয়ার ডিটেনশন সেন্টার থেকে দেশে ফিরলেন ১৭০ ভাগ্যাহত বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক | ২৫ মে ২০২৬ মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সমুদ্রপথে অবৈধ উপায়ে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় অনুপ্রবেশকারী এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক হওয়া ১৭০ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক অবশেষে দেশে ফিরে এসেছেন। আজ সোমবার (২৫ মে) সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে লিবিয়ার বেনগাজী থেকে বুরাক এয়ারের (Buraq Air) একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটযোগে তাদের ঢাকার

অনলাইন ডেস্ক | ২৫ মে ২০২৬

মানবপাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে সমুদ্রপথে অবৈধ উপায়ে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে লিবিয়ায় অনুপ্রবেশকারী এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক হওয়া ১৭০ জন অনিয়মিত বাংলাদেশি নাগরিক অবশেষে দেশে ফিরে এসেছেন। আজ সোমবার (২৫ মে) সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটের দিকে লিবিয়ার বেনগাজী থেকে বুরাক এয়ারের (Buraq Air) একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটযোগে তাদের ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যৌথ প্রচেষ্টায় লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) সক্রিয় সহযোগিতায় এই প্রকাণ্ড মানবিক প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হলো।

বিমানবন্দর ও কূটনৈতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বেশিরভাগই উন্নত জীবনের আশায় দালালের প্রলোভনে প্ররোচিত হয়ে স্থলপথে বিভিন্ন দেশ হয়ে লিবিয়ায় প্রবেশ করেছিলেন। সেখান থেকে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করার সময় তারা লিবিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হন। তাদের অনেকেরই অভিযোগ, লিবিয়ায় অবস্থানকালে তারা স্থানীয় মানবপাচারকারী চক্রের হাতে বিভিন্ন সময়ে অপহরণ, জিম্মি ও অমানবিক শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং দীর্ঘ সময় ডিটেনশন সেন্টারে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করেছেন।

আজ সকালে বিমানবন্দরে আইওএম এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ প্রত্যাবাসিত নাগরিকদের অভ্যর্থনা জানান। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে ফেরত আসা নাগরিকদের অনুরোধ জানানো হয় যে, তারা যেন সমাজ ও নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়ার এই নির্মম ও দুর্বিষহ বাস্তব অভিজ্ঞতা সকলের সাথে বিনিময় করেন, যাতে করে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং আর কোনো তরুণ এই মরণফাঁদে পা না দেয়।

এদিকে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (IOM) পক্ষ থেকে বিমান বন্দরেই ফেরত আসা প্রত্যেক বাংলাদেশিকে তাৎক্ষণিক পথখরচা হিসেবে আর্থিক অনুদান, শুকনো খাদ্যসামগ্রী, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং প্রয়োজন সাপেক্ষে অস্থায়ী বাসস্থানের জরুরি মানবিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার অন্যান্য ডিটেনশন সেন্টারে এখনো আটকে থাকা বাকি বাংলাদেশি নাগরিকদেরও পরিচয় যাচাই-বাছাইপূর্বক অত্যন্ত দ্রুত ও নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আইওএম-এর সাথে সরকারের যৌথ উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories