অনলাইন ডেস্ক | ২৬ মে ২০২৬ আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন লাখ লাখ নগরবাসী। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সরকারি ছুটির দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকেই ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এবং মহাখালী ও সায়েদাবাদসহ প্রধান বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় ও প্রকাণ্ড ব্যস্ততা
অনলাইন ডেস্ক | ২৬ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার আনন্দ পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে ভাগাভাগি করতে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন লাখ লাখ নগরবাসী। আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সরকারি ছুটির দ্বিতীয় দিনে সকাল থেকেই ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এবং মহাখালী ও সায়েদাবাদসহ প্রধান বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভিড় ও প্রকাণ্ড ব্যস্ততা লক্ষ্য করা গেছে। ভোররাতের আকস্মিক বৃষ্টিপাত এবং কিছু রুটে যানবাহনের শিডিউল বিলম্বের কারণে যাত্রীদের কিছুটা দুর্ভোগ পোহাতে হলেও, নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার আনন্দের কাছে সেই ভোগান্তি মলিন হয়ে গেছে।
আজ সকাল থেকেই ঢাকার প্রধান রেলওয়ে স্টেশন কমলাপুরে ছিল টিকিটধারী যাত্রীদের প্রকাণ্ড সমাগম। তবে শিডিউল ধরে রাখার সরকারি সদিচ্ছা সত্ত্বেও সকালের দিকে বেশ কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে স্টেশন ছেড়ে গেছে। সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে ছাড়ার কথা থাকলেও চিলাহাটিগামী ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা বিলম্বে সকাল ৮টায় ঢাকা ত্যাগ করে। কমলাপুর স্টেশন ম্যানেজার কবীর উদ্দীন গণমাধ্যমকে জানান, সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২০টি ট্রেন ঢাকার সীমানা পার হয়েছে এবং সারাদিনে মোট ৬৮টি ট্রেন দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাবে। গত চারদিন ধরে রেল কর্তৃপক্ষ শিডিউল অক্ষুণ্ণ রাখতে পারলেও আজ যাত্রীচাপ ও কারিগরি কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। সড়কপথের তীব্র যানজট এড়াতে অনেকেই রেল পথ বেছে নিলেও ছাদে যাত্রী ওঠা পুরোপুরি ঠেকানো সম্ভব হয়নি, যা কিছুটা ঝুঁকি তৈরি করছে।
অন্যদিকে, দক্ষিণবঙ্গের প্রবেশদ্বার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে সকাল থেকেই ছিল কানায় কানায় পূর্ণ যাত্রী। ইতোমধ্যে চাঁদপুর, বরিশাল ও পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন রুটের বেশ কয়েকটি লঞ্চ সদরঘাট ত্যাগ করেছে। তবে লঞ্চগুলো ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী বোঝাই করার পরও সময়মতো ঘাট না ছাড়ায় অনেক রুটের যাত্রীদের সাথে লঞ্চ কর্তৃপক্ষের বাকবিতণ্ডা ও মৃদু সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি ঢাকার মহাখালী, সায়েদাবাদ ও গাবতলী বাস টার্মিনালেও ছিল ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া চাপ। ভোররাতের বৃষ্টির কারণে অনেক কাউন্টারে সময়মতো বাস এসে পৌঁছাতে না পারায় সাময়িকভাবে টিকিট বিক্রি বন্ধ রাখতে দেখা গেছে। সায়েদাবাদে অনেক বাস নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে ছেড়েছে এবং কিছু কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা। তবে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, হাইওয়েতে যানবাহনের চাপ কমাতে এবং যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা সুনিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *