দীর্ঘ ২৪ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মেগা মঞ্চে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড, যা ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহাসিক বৈরিতার একটি। বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) আটলান্টার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার বিখ্যাত মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই মহাযুদ্ধকে ঘিরে দুই দেশের ফুটবল ভক্তদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মাঠের ফুটবলে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ম্যারাডোনার
দীর্ঘ ২৪ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মেগা মঞ্চে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড, যা ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহাসিক বৈরিতার একটি। বুধবার (১৫ জুলাই ২০২৬) আটলান্টার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত ৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার বিখ্যাত মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য এই মহাযুদ্ধকে ঘিরে দুই দেশের ফুটবল ভক্তদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মাঠের ফুটবলে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের ম্যারাডোনার সেই ঐতিহাসিক ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং মাঠের বাইরের রাজনৈতিক ‘ফকল্যান্ড যুদ্ধ’ বা মালভিনাস ইস্যুর ঐতিহাসিক বৈরিতা মাথায় রেখে পুরো আটলান্টা শহরজুড়ে ‘রেড অ্যালার্ট’ জারি করেছে আটলান্টা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট। ফিফার বিশেষ টিকিট বণ্টন নীতির কারণে স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে দুই দেশের হাজার হাজার সমর্থক একে অপরের পাশাপাশি বসার সুযোগ পাচ্ছেন, যা কোনো নির্দিষ্ট পৃথকীকরণ না থাকায় গ্যালারিতে সংঘর্ষের বড় আশঙ্কা তৈরি করেছে। সুইজারল্যান্ড ও নরওয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে আসা এই দুই দলের প্রবাসী ও অনুরাগী সমর্থকদের ৫০-৫০ উপস্থিতিতে পুরো স্টেডিয়াম এক উত্তপ্ত বারুদাগারে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যেকোনো ধরনের দাঙ্গা ও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুরো আটলান্টাকে কড়া নিরাপত্তাবেষ্টনীতে মুড়ে ফেলা হয়েছে। তবে মাঠের বাইরের এই ফকল্যান্ড যুদ্ধ ও রাজনৈতিক বিতর্ককে উসকে দিতে সাফ মানা করে দিয়েছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি এবং মিডফিল্ডার রদ্রিগো ডি পল। তাঁরা দুজনেই কড়া বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন যে, এটি ডিয়েগোর ৮৬-র কীর্তি বা ফকল্যান্ডের বীরদের স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেও দিনশেষে এটি স্রেফ একটি ফুটবল ম্যাচ এবং মাঠের মূল মনোযোগ কেবল ফুটবলেই রাখা উচিত।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *