ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে এক বড় ধরনের বৈপ্লবিক ও ব্যবসায়িক পরিবর্তন নিয়ে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, মধ্যপ্রাচ্যের মতো বিশ্বের অন্যতম একটি ধনী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে,
ইরানকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান তীব্র সামরিক উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে এক বড় ধরনের বৈপ্লবিক ও ব্যবসায়িক পরিবর্তন নিয়ে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেন, মধ্যপ্রাচ্যের মতো বিশ্বের অন্যতম একটি ধনী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে, সহযোগী দেশগুলোর উচিত সেই অর্থ ওয়াশিংটনকে ফেরত দেওয়া। ট্রাম্প সরাসরি দাবি করেন, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই উপস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব কোনো প্রয়োজনে নয়, বরং এটি সম্পূর্ণভাবে আঞ্চলিক মিত্রদের নিরাপত্তার স্বার্থেই পরিচালিত হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে তিনি ইসরায়েল, সৌদি আরব, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করে বলেন, এই রাষ্ট্রগুলোর অস্তিত্ব ও নিরাপত্তা টিকিয়ে রাখতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই ‘খুবই কার্যকর ভূমিকা’ পালন করেছে, তাই এখন থেকে এই নিরাপত্তা সেবার বিনিময়ে অবশ্যই অর্থ পরিশোধ করতে হবে। রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থান মার্কিন কূটনীতিতে বহু বছর ধরে চলে আসা ‘নিরাপত্তার বিনিময়ে মূল্য’ বা ‘Pay-for-Protection’ ধারণাকে চরমভাবে স্পষ্ট করে তুলছে। ট্রাম্পের এই প্রকাশ্য ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি সামরিক উপস্থিতি এবং এতদঞ্চলের অন্যতম ধনী মিত্রদের সাথে ওয়াশিংটনের চিরাচরিত কৌশলগত সম্পর্কে এক নজিরবিহীন অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েন তৈরি করতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *