বিশ্ব বাণিজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিনিময়ে এক নজিরবিহীন ও বিতর্কিত অর্থনৈতিক শর্ত জুড়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি ঘোষণা করেন, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর মোট পণ্যের মূল্যের ২০ শতাংশ অর্থ ‘নিরাপত্তা ফি’ বা টোল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে
বিশ্ব বাণিজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিনিময়ে এক নজিরবিহীন ও বিতর্কিত অর্থনৈতিক শর্ত জুড়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (১৩ জুলাই ২০২৬) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি ঘোষণা করেন, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর মোট পণ্যের মূল্যের ২০ শতাংশ অর্থ ‘নিরাপত্তা ফি’ বা টোল হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রকে পরিশোধ করতে হবে। ট্রাম্প তাঁর এই “নিরাপত্তার বিনিময়ে মূল্য” (Pay-for-Protection) নীতির পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের মতো একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ অঞ্চলের নিরাপত্তা দিতে গিয়ে ওয়াশিংটনের বিপুল অর্থ ব্যয় হচ্ছে, যা মূলত ইসরায়েল, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মিত্রদের স্বার্থ রক্ষা করছে; তাই এখন থেকে এই সেবার মূল্য পরিশোধ করতে হবে। এই ঘোষণার পাশাপাশি ট্রাম্প নিজেকে ‘দ্য গার্ডিয়ান অব দ্য হরমুজ স্ট্রেট’ হিসেবে ঘোষণা করে ১৪ জুলাই থেকে ইরানের ওপর সর্বাত্মক মার্কিন নৌ-অবরোধ জারি করেছেন। ট্রাম্পের এই একক সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মহল। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (IMO) এই পদক্ষেপের কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলে স্পষ্ট করার পাশাপাশি ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলা দা সিলভা এটিকে সরাসরি “জলদস্যুতা” বলে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ট্রাম্পকে কটাক্ষ করে বলেছেন, ২০% ফি অনেক বেশি এবং ইরানই এই প্রণালির আসল অভিভাবক হিসেবে ন্যায্য ফি নেবে। অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই ২০% ফি কার্যকর হলে বিশ্ববাজারে পণ্য ও জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হবে এবং বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন বড় ধরনের মন্দার মুখে পড়বে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *