মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন জোটের মধ্যকার চলমান ছায়াযুদ্ধ এবার এক ভয়ংকর ও অত্যাধুনিক রূপ ধারণ করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মোক্ষম জবাব দিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগত নৌঘাঁটি বন্দর আব্বাসে এক বিধ্বংসী ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে প্রচলিত আকাশপথের ড্রোনের পরিবর্তে এবার মার্কিন নৌবাহিনী ইতিহাসে
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও মার্কিন জোটের মধ্যকার চলমান ছায়াযুদ্ধ এবার এক ভয়ংকর ও অত্যাধুনিক রূপ ধারণ করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মোক্ষম জবাব দিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগত নৌঘাঁটি বন্দর আব্বাসে এক বিধ্বংসী ড্রোন হামলা চালিয়েছে। তবে প্রচলিত আকাশপথের ড্রোনের পরিবর্তে এবার মার্কিন নৌবাহিনী ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করেছে চালকবিহীন সি-ড্রোন বা ‘আনম্যানড সারফেস ভেসেল’ (USV)। সেন্টকমের প্রকাশিত যুদ্ধকালীন ভিডিওতে দেখা যায়, ‘কর্সেয়ার’ মডেলের তিনটি অত্যাধুনিক ও দ্রুতগামী সামুদ্রিক ড্রোন সমুদ্রের পানি কেটে একযোগে বন্দর আব্বাস ঘাঁটির দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের দাবি, এই সুনির্দিষ্ট আত্মঘাতী হামলায় ইরানের একটি সাবমেরিন এবং তাদের নৌজাহাজ মেরামত কেন্দ্র সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। সামরিক পরিভাষায় এই কর্সেয়ার সি-ড্রোনগুলো প্রায় এক হাজার পাউন্ড পর্যন্ত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক বহন করে যেকোনো উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ব্যূহ ও যুদ্ধজাহাজ নিমেষেই গুঁড়িয়ে দিতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, পেন্টাগনের এই চালকবিহীন নৌ-প্রযুক্তির সফল ব্যবহার প্রমাণ করে যে আগামী দিনের বৈশ্বিক সমুদ্রযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের রণকৌশলে এক বিশাল ও যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে, যা পারস্য উপসাগরে ইরানের নৌ-আধিপত্যের জন্য এক বিরাট বড় ধাক্কা।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *