সামরিক সক্ষমতায় বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে নিজস্ব প্রযুক্তিতে ‘জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মুনিশন’ (JDAM) বা স্মার্ট বোমা ব্যাপক হারে উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দুই বছরের মধ্যে এই উন্নত গাইডেড বোমার বড় পরিসরের উৎপাদনে যেতে পারবে তারা। কয়েক দশক ধরে এ ধরনের নির্ভুল লক্ষ্যভেদী অস্ত্রের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের
সামরিক সক্ষমতায় বিদেশি অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে নিজস্ব প্রযুক্তিতে ‘জয়েন্ট ডাইরেক্ট অ্যাটাক মুনিশন’ (JDAM) বা স্মার্ট বোমা ব্যাপক হারে উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী দুই বছরের মধ্যে এই উন্নত গাইডেড বোমার বড় পরিসরের উৎপাদনে যেতে পারবে তারা। কয়েক দশক ধরে এ ধরনের নির্ভুল লক্ষ্যভেদী অস্ত্রের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরশীল থাকা ইসরায়েল মূলত ২০২৪ সালে রাফাহ অভিযান নিয়ে বাইডেন প্রশাসনের অস্ত্র সরবরাহের আংশিক নিষেধাজ্ঞার পর থেকেই এই স্বনির্ভরতার ওপর জোর দেয়। জেডিএএম মূলত এমন একটি উন্নত গাইডেন্স কিট, যা যেকোনো সাধারণ বা ‘ডাম্ব’ বোমাকে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম স্মার্ট অস্ত্রে রূপান্তর করতে পারে। এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘এলবিট সিস্টেমস’-এর সঙ্গে ইতিমধ্যে বড় অঙ্কের চুক্তি সই হয়েছে। তবে একই সময়ে একাধিক ফ্রন্টের যুদ্ধাবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার খরচের মাঝে এই বিশাল উৎপাদন যজ্ঞের প্রয়োজনীয় অর্থের উৎস কী, তা নিয়ে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাসত্ত্বেও ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের দাবি, এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের সামরিক পরিচালনা ও কৌশলগত সক্ষমতায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *