728 x 90

পটুয়াখালীতে এক ট্রলারেই মিলল ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো প্রায় অর্ধকোটি টাকায়

পটুয়াখালীতে এক ট্রলারেই মিলল ৪৬ মণ ইলিশ, বিক্রি হলো প্রায় অর্ধকোটি টাকায়

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে। ‘এফবি জুনাইদ’ নামের একটি মাছধরা ট্রলারে ধরা পড়া ৪৬ মণ ইলিশ উন্মুক্ত নিলামে মোট ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ইলিশের এই বড় চালানটি নিয়ে ট্রলারটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে নোঙর করে। পরে বিকেলে স্থানীয় ‘মনোয়ারা ফিশ আড়তে’

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে বিপুল পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়েছে। ‘এফবি জুনাইদ’ নামের একটি মাছধরা ট্রলারে ধরা পড়া ৪৬ মণ ইলিশ উন্মুক্ত নিলামে মোট ৪৮ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

শুক্রবার (৭ আগস্ট) দুপুরে ইলিশের এই বড় চালানটি নিয়ে ট্রলারটি মহিপুর মৎস্য বন্দরে নোঙর করে। পরে বিকেলে স্থানীয় ‘মনোয়ারা ফিশ আড়তে’ নিলামের মাধ্যমে মাছগুলো বিক্রি করা হয়। এর আগে গত বৃহস্পতিবার পায়রা সমুদ্রবন্দরের শেষ বয়া সংলগ্ন গভীর সাগরে জেলে আলমগীর হোসেনের জালে এই বিশাল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ে।

আড়ত সূত্রে জানা গেছে, এর মধ্যে ১ কেজি বা তার বেশি ওজনের ২৪ মণ ইলিশ প্রতি মণ ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা (প্রতি কেজি ২,৮৭৫ টাকা) দরে মোট ২৭ লাখ ৬০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়। এ ছাড়া ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের বাকি ২২ মণ ইলিশ প্রতি মণ ৯৫ হাজার টাকা (প্রতি কেজি ২,৩৭৫ টাকা) দরে বিক্রি হয়েছে ২০ লাখ ৯০ হাজার টাকায়।

দীর্ঘ পাঁচ বছর পর এত বেশি পরিমাণ ইলিশ একসঙ্গে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন ট্রলারের জেলে আলমগীর হোসেন। তিনি জানান, সরকারি নিষেধাজ্ঞা ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বেশ কিছু দিন ধরে চলা আর্থিক লোকসান এই এক চালানেই পুষিয়ে গেছে। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, নিষেধাজ্ঞার পর শুরুতে ইলিশের খরা থাকলেও এখন জেলেদের জালে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে, যা বৃষ্টি কমলে আরও বাড়তে পারে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories