728 x 90

কৈলাশ মানসরোবর তীর্থযাত্রায় গিয়ে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ ২৯০ ভারতীয়

কৈলাশ মানসরোবর তীর্থযাত্রায় গিয়ে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে বন্যা ও ভূমিধসে নিখোঁজ ২৯০ ভারতীয়

  পবিত্র কৈলাশ মানসরোবর তীর্থযাত্রায় বেরিয়ে হিমালয়ের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পড়েছেন বহু ভারতীয় পুণ্যার্থী। নেপাল ও চীন (তিব্বত) সীমান্ত সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক হড়পা বান ও মারাত্মক ভূমিধসের পর থেকে অন্তত ২৯০ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট এই তাণ্ডবে নেপাল সরকারের প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী দেশটিতে মোট

 

পবিত্র কৈলাশ মানসরোবর তীর্থযাত্রায় বেরিয়ে হিমালয়ের ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কবলে পড়েছেন বহু ভারতীয় পুণ্যার্থী। নেপাল ও চীন (তিব্বত) সীমান্ত সংলগ্ন পাহাড়ি এলাকায় আকস্মিক হড়পা বান ও মারাত্মক ভূমিধসের পর থেকে অন্তত ২৯০ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। হিমবাহ ধসের ফলে সৃষ্ট এই তাণ্ডবে নেপাল সরকারের প্রকাশিত সর্বশেষ তালিকা অনুযায়ী দেশটিতে মোট নিখোঁজের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৩৭ জনে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়ে বিশাল এলাকা কাদামাটি, পাথর ও উপচে পড়া প্লাবনে প্লাবিত হওয়ায় পুরো সীমান্ত পথেই চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

নিখোঁজ এই বিপুলসংখ্যক পুণ্যার্থীর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার বাসিন্দা ৪৩ বছর বয়সী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট শুভ্রশ্রী চক্রবর্তী এবং ৫৪ বছর বয়সী গৃহশিক্ষিকা রীনা ব্যানার্জিসহ মোট ৩২ জনের একটি দল রয়েছে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ আগস্ট কলকাতা থেকে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে যাত্রা শুরু করেন শুভ্রশ্রী। গত ২৫ আগস্ট কাঠমান্ডু হয়ে তারা হিমালয়ের দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে সীমান্তবর্তী প্রবেশদ্বার স্যামব্রুবেশিতে পৌঁছান। গত বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ৭টা ৫৭ মিনিটে নেপাল ইমিগ্রেশন পার হয়ে নিজের পাসপোর্টের ছবি পাঠান তিনি এবং ঠিক কিছুক্ষণ পর—সকাল ৮টা ৩ মিনিটে—চীনে প্রবেশের অপেক্ষায় থাকার কথা জানিয়ে শেষ বার্তাটি দেন। এর পরপরই সীমানা সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ প্রলয়ংকরী বান আছড়ে পড়লে শুভ্রশ্রী ও তাঁর দলের সবার সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

একই পরিস্থিতির মুখে পড়েছে রীনা ব্যানার্জির পরিবারও। দুর্যোগের মুহূর্তটিতে তিনি নেপালের অংশে ইমিগ্রেশনের লাইনে ছিলেন নাকি সীমানা অতিক্রম করে তিব্বতের গ্যিরং অঞ্চলে পৌঁছাতে পেরেছিলেন, তা এখনো স্পষ্ট নয়। যে ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে তারা গিয়েছিলেন, তাদের স্থানীয় প্রতিনিধি বা ব্যবস্থাপকদের সাথেও মুঠোফোনে কোনো যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে চরম আতঙ্ক ও আশঙ্কায় রাত কাটাচ্ছে পরিবারগুলো। অনতিবিলম্বে চীন ও নেপাল উভয় দেশের সরকারের যৌথ প্রচেষ্টায় উদ্ধারকৃত, নিহত এবং নিখোঁজদের সঠিক পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ ও উদ্ধার অভিযান জোরদার করার আকুল আবেদন জানিয়েছেন স্বজনরা।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories