বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। একই সঙ্গে প্রণালিটি স্বাভাবিকভাবে খোলা রয়েছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যকে সম্পূর্ণ “মিথ্যা” আখ্যা দিয়ে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে শনিবার
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক ও জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী। একই সঙ্গে প্রণালিটি স্বাভাবিকভাবে খোলা রয়েছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া বক্তব্যকে সম্পূর্ণ “মিথ্যা” আখ্যা দিয়ে তা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়। আইআরজিসির নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক জরুরি বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, বর্তমানে এই কৌশলগত জলপথে জাহাজ চলাচলের একমাত্র পূর্বশর্ত হলো ইরানের সরাসরি অনুমতি।
আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করেছে যে, ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার সাম্প্রতিক সামরিক আগ্রাসন ও শত্রুভাবাপন্ন কর্মকাণ্ড পুরোপুরি বন্ধ না হওয়া এবং ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের এই কড়া বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকবে। এর ফলে কৌশলগতভাবে স্পর্শকাতর এই প্রণালিতে সামরিক ও বাণিজ্যিক উত্তেজনার পারদ নতুন করে তুঙ্গে উঠেছে। ট্রাম্প প্রশাসন হরমুজ প্রণালি দিয়ে আন্তর্জাতিক নৌযান চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ বলে দাবি করলেও, ইরানের এই কঠোর ও অনড় অবস্থানের কারণে পারস্য উপসাগরে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে ব্যাপক অনিশ্চয়তা ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাস্তব চিত্রেও দেখা গেছে ইরানের এই বিধিনিষেধের সরাসরি ও মারাত্মক প্রভাব। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য ও প্রাথমিক সামুদ্রিক জাহাজ চলাচলের উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে মাত্র ৭টি বাণিজ্যিক ও পণ্যবাহী জাহাজ যাতায়াত বা পারাপার করতে পেরেছে। অথচ এর আগের দিনও অর্থাৎ বুধবারে এই সংখ্যাটি ছিল ১৭টি এবং বিগত দশ দিনের সাধারণ হিসাব অনুযায়ী গড়ে দৈনিক অন্তত ১৫টি করে বাণিজ্যিক জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করত। দৈনিক গড় পরিমাণের তুলনায় জাহাজ চলাচলের এই বিশাল পতন প্রমাণ করে যে, কৌশলগত এই সমুদ্রসীমায় আইআরজিসির কড়া নিয়ন্ত্রণ ও সামরিক উপস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলো এখন চলাচলে চরম আতঙ্ক ও বাধার সম্মুখীন হচ্ছে।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *