728 x 90

এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

এআই ব্যবহার করে মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা যাবে না: প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করতে গিয়ে দেশের কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার যেন কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) সকালে এশিয়াটিক সোসাইটি ফর বাংলাদেশ আয়োজিত ‘এআই গভর্নেন্স সামার স্কুল’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করতে গিয়ে দেশের কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার যেন কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সর্বোচ্চ সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। শনিবার (২৯ আগস্ট ২০২৬) সকালে এশিয়াটিক সোসাইটি ফর বাংলাদেশ আয়োজিত ‘এআই গভর্নেন্স সামার স্কুল’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, প্রযুক্তির আধুনিকায়নের যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার ঘটলেও বিচারব্যবস্থা ও সাধারণ মানুষের অধিকারের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্র ও আইনের মূল দায়িত্ব হওয়া উচিত।

বিশেষ করে বিচারকদের দায়িত্বশীলতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে প্রধান বিচারপতি উল্লেখ করেন যে, বিচারিক কাজে বা আদালত থেকে রায় লেখার ক্ষেত্রে এআই-এর মতো প্রযুক্তি ব্যবহার করা মোটেও উচিত নয়। এ ধরনের স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে রায় তৈরি করা হলে রাতের প্রকৃত উদ্দেশ্য ও বিচারিক স্বচ্ছতা গভীরভাবে ব্যাহত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ, সুনিয়ন্ত্রিত ও নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করার স্বার্থে অতি দ্রুত একটি সমন্বিত ও কার্যকর আইনগত বা আইনি কাঠামো তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজন বলে তিনি গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট আইনজীবী, শিক্ষাবিদ ও আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি এই প্রযুক্তির সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার নানান দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন।

উদ্বোধনী এই সামিটে মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে এআই প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান ব্যবহার, এর সামাজিক প্রভাব এবং প্রয়োজনীয় সরকারি নীতি নির্ধারণের গুরুত্ব নিয়ে আরও বক্তব্য রাখেন সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনিক আর হক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ডিনসহ একাধিক বিশিষ্ট গবেষক ও বক্তারা। বক্তারাও প্রধান বিচারপতির বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে এআই ব্যবহারের সুনির্দিষ্ট আইনি নীতিমালা প্রণয়ন এবং সাধারণ নাগরিকদের তথ্য ও মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষার জোর দাবি জানান।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories