রংপুরের ঘড়ির মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের ফলাফলেই মাদকের (ইয়াবা) কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সোমবার (৩১ আগস্ট) রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর আসামিদের ইউরিন (প্রস্রাব) নমুনা
রংপুরের ঘড়ির মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের চার সদস্যকে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের ফলাফলেই মাদকের (ইয়াবা) কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। সোমবার (৩১ আগস্ট) রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর আসামিদের ইউরিন (প্রস্রাব) নমুনা সংগ্রহ করে মাইক্রোবায়োলজি ল্যাবে পরীক্ষা করা হলেও কোনো মাদক শনাক্ত হয়নি। তবে তদন্ত সংস্থা রক্ত কিংবা চুলের নমুনা পরীক্ষা করেনি।
চিকিৎসকদের মতে, রক্ত বা প্রস্রাবে ইয়াবা বা অ্যামফিটামিনের উপাদান সর্বোচ্চ তিন দিন পর্যন্ত অবস্থান করে, যেখানে চুলে এর অস্তিত্ব ৯০ দিন পর্যন্ত পাওয়া সম্ভব। ঘটনার ১০ দিন পর নেওয়া কেবল প্রস্রাবের নমুনার ওপর নির্ভর করায় পরীক্ষার ফল নিয়ে নানা বিশ্লেষণ চলছে। ইতিমধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া এই দুই আসামিকে হত্যাকাণ্ডের নেপথ্য কারণ ও আরও গভীরে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী।
গত ২১ আগস্ট নিজ বাড়িতে নৃশংসভাবে খুন হন রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা, কন্যা আগামী চক্রবর্তী এবং পুত্র প্রিয়ম চক্রবর্তী। মর্মান্তিক এই চার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসকে ঘিরে তদন্ত প্রক্রিয়া আরও জোরদার করা হচ্ছে। বিচারিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের আসল রহস্য ও উদ্দেশ্য উন্মোচনে রিমান্ড শুনানি এবং পরবর্তী আইনশৃঙ্খলা পদক্ষেপের দিকে নজর রাখছে ভুক্তভোগী পরিবার ও সুশীল সমাজ।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *