ফুটবল মাঠে ধর্মবিদ্বেষী আচরণের শিকার হয়েও অত্যন্ত শান্ত ও বলিষ্ঠভাবে তার জবাব দিয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। সাম্প্রতিক একটি ম্যাচ চলাকালে গ্যালারির এক অংশ থেকে তার উদ্দেশ্যে মুসলিমবিদ্বেষী কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়া হয়। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়রা বিচলিত হলেও ইয়ামাল বেছে নিয়েছেন প্রতিবাদের ভিন্ন এক ভাষা। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সময় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে
ফুটবল মাঠে ধর্মবিদ্বেষী আচরণের শিকার হয়েও অত্যন্ত শান্ত ও বলিষ্ঠভাবে তার জবাব দিয়েছেন বার্সেলোনার তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামাল। সাম্প্রতিক একটি ম্যাচ চলাকালে গ্যালারির এক অংশ থেকে তার উদ্দেশ্যে মুসলিমবিদ্বেষী কুরুচিপূর্ণ স্লোগান দেওয়া হয়। সাধারণত এমন পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়রা বিচলিত হলেও ইয়ামাল বেছে নিয়েছেন প্রতিবাদের ভিন্ন এক ভাষা। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে কথা বলার সময় তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ‘আমি মুসলিম, আলহামদুলিল্লাহ’।
ইয়ামালের এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু শক্তিশালী বার্তাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ ফুটবল ভক্তের প্রশংসা কুড়ায়। বর্ণবাদ ও ধর্মবিদ্বেষের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইয়ামালের এই অবস্থানকে অনেকে সাহসিকতার পরিচয় হিসেবে দেখছেন। ভক্তরা বলছেন, মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি নিজের বিশ্বাস ও আত্মপরিচয় নিয়ে ইয়ামালের এই দৃঢ়তা তরুণ প্রজন্মের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। বার্সেলোনা ক্লাব কর্তৃপক্ষ এবং সতীর্থরাও এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে ইয়ামালের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ফিফা এবং উয়েফা বরাবরই ফুটবলে বর্ণবাদ ও ধর্মবিদ্বেষের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করে, তাই এই ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি উঠেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *