গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের একটি ফিলিং স্টেশনে এই হামলা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির ৬০ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাছুম মোস্তফার ওপর হামলা ও তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায়
গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের একটি ফিলিং স্টেশনে এই হামলা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় বিএনপির ৬০ জন নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
নেত্রকোনা-৫ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা মাছুম মোস্তফার ওপর হামলা ও তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় উপজেলা সদরের একটি ফিলিং স্টেশনে মাগরিবের নামাজের সময় একদল যুবক তাঁর গাড়িবহরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় তাঁকে ধাওয়া করা হলে তিনি একটি ঘরে আশ্রয় নেন এবং সেখানে তাঁকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে পুলিশ ও স্থানীয় বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করেন।
এই ঘটনায় গত রাতে সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় স্থানীয় বিএনপির আহ্বায়ক আবু তাহের তালুকদারসহ ৬০ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং আরও অনেককে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে এজাহারনামীয় একজন রয়েছেন।
হামলার পর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাছুম মোস্তফা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা আবু তাহের তালুকদার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, ঘটনার সময় তিনি ঢাকায় ছিলেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তাঁর দলের নেতাদের পাঠিয়ে সহায়তা করেছেন। অন্যায়ভাবে তাঁদের এই মামলায় জড়ানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন। বর্তমানে পুলিশ বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *