728 x 90

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির শারীরিক সক্ষমতা এবং দেশের প্রশাসনিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির শারীরিক সক্ষমতা এবং দেশের প্রশাসনিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’।

 প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারির বিমান হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মোজতবা বর্তমানে শয্যাশায়ী এবং তার অনুপস্থিতিতে দেশটির মূল ক্ষমতা এখন ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস-এর প্রবীণ কমান্ডারদের হাতে চলে গেছে। আমেরিকার সাথে চলমান চরম উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্যে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক

 প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারির বিমান হামলায় গুরুতর আহত হওয়ার পর মোজতবা বর্তমানে শয্যাশায়ী এবং তার অনুপস্থিতিতে দেশটির মূল ক্ষমতা এখন ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস-এর প্রবীণ কমান্ডারদের হাতে চলে গেছে।

আমেরিকার সাথে চলমান চরম উত্তেজনা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার ভারসাম্যে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ এক বিশেষ প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ইরানের বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি গুরুতর অসুস্থ এবং বর্তমানে একাধিক জটিল অস্ত্রোপচারের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনীর এক ভয়াবহ বিমান হামলায় মোজতবা খামেনি গুরুতর আহত হন। ওই হামলায় তার পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য প্রাণ হারালেও তিনি প্রাণে বেঁচে যান, তবে তার শারীরিক অবস্থা এখন অত্যন্ত সংকটজনক। তার এক পায়ে ইতোমধ্যে তিনটি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে এবং সেখানে একটি কৃত্রিম অঙ্গ (Artificial Limb) লাগানোর প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া তার মুখমণ্ডল ও ঠোঁট মারাত্মকভাবে দগ্ধ হওয়ায় তিনি কথা বলতে পারছেন না, যার ফলে দ্রুত প্লাস্টিক সার্জারির পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর দাবিটি হলো, গত মার্চ মাসে পিতা আলী খামেনির মৃত্যুর পর শাসনভার গ্রহণ করলেও মোজতবা এখন পর্যন্ত কোনো প্রকাশ্য বার্তা দেননি। তার এই দীর্ঘ অনুপস্থিতির সুযোগে ইরানের প্রশাসনিক ও সামরিক নিয়ন্ত্রণ এখন মূলত ইসলামি রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস-এর (IRGC) একটি শক্তিশালী ও প্রবীণ কমান্ডার গোষ্ঠীর হাতে চলে গেছে। দেশের নিরাপত্তা, যুদ্ধকৌশল এবং পররাষ্ট্রনীতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত এখন মোজতবার পরিবর্তে এই গোষ্ঠীটিই গ্রহণ করছে। মোজতবা খামেনি বর্তমানে কেবল নামমাত্র তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে রয়েছেন বলে ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories