২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল প্রকাশ্যে অপহরণের পর প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় উচ্চ আদালতে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকলেও, তা আপিল বিভাগে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে শুনানির অপেক্ষায় ঝুলে আছে। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত হচ্ছে বলে দাবি নিহতদের স্বজনদের। সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দ্রুত এই রায় কার্যকরের নতুন
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল প্রকাশ্যে অপহরণের পর প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে হত্যার ঘটনায় উচ্চ আদালতে ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকলেও, তা আপিল বিভাগে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে শুনানির অপেক্ষায় ঝুলে আছে। আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত হচ্ছে বলে দাবি নিহতদের স্বজনদের। সরকার পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দ্রুত এই রায় কার্যকরের নতুন দাবি উঠেছে।
নারায়ণগঞ্জের ইতিহাসে অন্যতম কলঙ্কিত অধ্যায় ‘সাত খুন’ মামলার ১২ বছর পূর্ণ হলো আজ। কিন্তু দীর্ঘ এক যুগেও নিহতদের স্বজনদের কপালে জোটেনি চূড়ান্ত বিচার। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ আদালত থেকে ফেরার পথে প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামসহ সাতজনকে অপহরণ করে র্যাবের একটি দল। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে ভেসে ওঠে তাঁদের হাত-পা বাঁধা মরদেহ।
২০১৭ সালে নিম্ন আদালত এই মামলায় প্রধান আসামি নূর হোসেন এবং সাবেক র্যাব কর্মকর্তা তারেক সাঈদসহ ২৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। ২০১৮ সালে উচ্চ আদালত ১৫ জনের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখেন। তবে এরপর থেকে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় থমকে আছে। নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি আক্ষেপ করে বলেন, “সবকিছু প্রমাণিত হওয়ার পরও কেন রায় ঝুলে থাকবে? আমরা কি প্রভাবশালী আসামিদের ক্ষমতার কাছে হেরে যাবো?”
বাদীপক্ষের আইনজীবী সাখাওয়াত হোসেন খাঁন জানিয়েছেন, আগের সরকারের আমলে রাজনৈতিক প্রভাবে রায় কার্যকর হয়নি। তবে বর্তমান সরকার পরিবর্তনের পর তাঁরা মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ শুরু করেছেন। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, এই রায় কার্যকর হওয়া কেবল সাতটি পরিবারের বিচার পাওয়া নয়, বরং দেশে গুম ও খুনের সংস্কৃতি চিরতরে বন্ধ করার জন্য একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *