জেল খাটার অভিজ্ঞতা কেমন হয়—এমন এক অদ্ভুত শখ মেটাতেই হোসাইনকে হত্যা করেছে তারই কিশোর বন্ধুরা। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, গ্রেপ্তারকৃত কিশোররা স্বীকার করেছে যে জেলজীবন দেখার কৌতূহল থেকেই তারা এই অপরাধ ঘটিয়েছে। ঘটনায় জড়িত ৬ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ফুল বিক্রেতা শিশু হোসাইন (১১) হত্যার এক
জেল খাটার অভিজ্ঞতা কেমন হয়—এমন এক অদ্ভুত শখ মেটাতেই হোসাইনকে হত্যা করেছে তারই কিশোর বন্ধুরা। সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি জানান, গ্রেপ্তারকৃত কিশোররা স্বীকার করেছে যে জেলজীবন দেখার কৌতূহল থেকেই তারা এই অপরাধ ঘটিয়েছে। ঘটনায় জড়িত ৬ জনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ফুল বিক্রেতা শিশু হোসাইন (১১) হত্যার এক চাঞ্চল্যকর ও অবিশ্বাস্য কারণ প্রকাশ করেছে জেলা পুলিশ। জেল খাটার অভিজ্ঞতা কেমন হয়, তা সচক্ষে দেখতে ও বুঝতে নিজেদেরই বন্ধু হোসাইনকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে ৬ কিশোরের একটি দল। সোমবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান মুন্সি।
পুলিশ জানায়, নিহত হোসাইন তার বাবার সাথে শহরে ফুল বিক্রি করত। গত ১৮ এপ্রিল সে নিখোঁজ হয় এবং পাঁচ দিন পর ২৩ এপ্রিল দাপা ইদ্রাকপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তার গলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে বেরিয়ে আসে, ওই পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়মিত আড্ডা দেওয়া ও মাদক সেবনকারী কিশোররা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, ঘটনার দিন সাইফুল, তানভীর ও ইউনুস নিজেদের মধ্যে আলোচনার এক পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে, তারা জেলজীবন পরখ করতে চায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, হোসাইনকে গাঁজা সেবনের প্রলোভন দিয়ে ওই বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে রাহাত, ওমর ও ইয়াসিনসহ সবাই মিলে তাকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। ইতিমধ্যে ১ নম্বর আসামি ইয়াসিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিটি উদ্ধার করেছে এবং জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *