728 x 90

ভেনেজুয়েলার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান জেনারেল হুগো কারভাহাল ব্যারিওস, যিনি ‘এল পোল্লো’ বা ‘মুরগি’ নামে পরিচিত, বর্তমান প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

ভেনেজুয়েলার সাবেক গোয়েন্দা প্রধান জেনারেল হুগো কারভাহাল ব্যারিওস, যিনি ‘এল পোল্লো’ বা ‘মুরগি’ নামে পরিচিত, বর্তমান প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্য দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে মার্কিন কারাগারে বন্দি এই সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা এক চিঠিতে মাদুরোর বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপি ও গ্যাং কালচারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগ এনেছেন। সিএনএনের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।  ভেনেজুয়েলার বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে বড় ধরণের আইনি বিপত্তি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। দেশটির সাবেক গোয়েন্দা প্রধান জেনারেল

মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে মার্কিন কারাগারে বন্দি এই সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লেখা এক চিঠিতে মাদুরোর বিরুদ্ধে নির্বাচনে কারচুপি ও গ্যাং কালচারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগ এনেছেন। সিএনএনের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।

 ভেনেজুয়েলার বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে বড় ধরণের আইনি বিপত্তি সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। দেশটির সাবেক গোয়েন্দা প্রধান জেনারেল হুগো কারভাহাল ব্যারিওস (ওরফে ‘এল পোল্লো’ বা মুরগি) মাদুরোর বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতে সাক্ষ্য দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘকাল প্রয়াত শাসক হুগো চাভেজের ঘনিষ্ঠ এই সামরিক কর্মকর্তা বর্তমানে ব্রুকলিনের কারাগারে মাদক-সন্ত্রাসবাদের মামলায় বিচারপ্রক্রিয়ার অপেক্ষায় আছেন।

সম্প্রতি কারভাহালের আইনজীবীর মাধ্যমে প্রকাশিত এক চিঠিতে দেখা যায়, গত ডিসেম্বরে তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে নিজের অপরাধের প্রায়শ্চিত্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। চিঠিতে তিনি দাবি করেন, মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কারচুপির অপচেষ্টা চালিয়েছিলেন এবং ভেনেজুয়েলার কুখ্যাত অপরাধী চক্র ‘ত্রেন দে আরাগুয়ার’ মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে মাদক ও গুপ্তচর পাঠানোর ষড়যন্ত্র করেছিলেন।

বিশ্লেষকদের মতে, কারভাহালের এই সাক্ষ্য মাদুরোর বিরুদ্ধে মার্কিন ফেডারেল আদালতে আনা অভিযোগগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। মাদুরো বর্তমানে মাদক পাচার ও সন্ত্রাসবাদে মদদ দেওয়ার অভিযোগে মার্কিন বিচার বিভাগের ওয়ান্টেড লিস্টে আছেন। তবে এই সাক্ষ্যের বিনিময়ে কারভাহাল নিজের সাজা কমানোর চেষ্টা করছেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এই ঘটনা লাতিন আমেরিকা ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন মোড় নিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Posts Carousel

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked with *

Latest Posts

Top Authors

Most Commented

Featured Videos

Categories