জাতীয় ও অপরাধ ডেস্ক | ২২ মে ২০২৬ সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাঙ্ক্ষিত জায়গায় বদলি ও পদোন্নতি (Promotion) পাইয়ে দেওয়ার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া এক মেগা জালিয়াতি চক্রের পর্দা উন্মোচন করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (DMP) গোয়েন্দা শাখা (DB)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের খোদ শৃঙ্খলা শাখা-২ এর একজন প্রভাবশালী নারী কর্মকর্তাসহ এই চক্রের মূল দুই হোতাকে গ্রেফতার
জাতীয় ও অপরাধ ডেস্ক | ২২ মে ২০২৬
সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের কাঙ্ক্ষিত জায়গায় বদলি ও পদোন্নতি (Promotion) পাইয়ে দেওয়ার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়া এক মেগা জালিয়াতি চক্রের পর্দা উন্মোচন করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (DMP) গোয়েন্দা শাখা (DB)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের খোদ শৃঙ্খলা শাখা-২ এর একজন প্রভাবশালী নারী কর্মকর্তাসহ এই চক্রের মূল দুই হোতাকে গ্রেফতার করেছে ডিবি। আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক জরুরি ও চাঞ্চল্যকর সংবাদ ব্রিফিংয়ে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে এই হাই-প্রোফাইল প্রশাসনিক জালিয়াতির মেগা তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা হলেন— স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখা-২ এর ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (PO) নীলুফার সুলতানা এবং তাঁর অন্যতম প্রধান সহযোগী ও প্রতারক চক্রের সমন্বয়ক আনিসুর রহমান শান্ত। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ডিবির একটি বিশেষ টিম রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের দুজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এ সময় তাঁদের হেফাজত থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত একাধিক মোবাইল ফোন, সিলমোহর এবং গুরুত্বপূর্ণ মেগা নথিপত্র জব্দ করা হয়।
ডিবি ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, নীলুফার সুলতানা মন্ত্রণালয়ের ভেতরে বসে বিভিন্ন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাঙ্ক্ষিত জেলা বা দপ্তরে বদলি এবং নিয়মবহির্ভূত পদোন্নতির তালিকা তৈরি করতেন। অন্যদিকে তাঁর সহযোগী আনিসুর রহমান শান্ত মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করে কোটি টাকার মেগা ডিল চূড়ান্ত করতেন। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল ফোন দুটি ইতিমধ্যেই ফরেনসিক ল্যাবে পাঠানো হয়েছে। ফরেনসিক রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর সুনির্দিষ্টভাবে জানা যাবে এখন পর্যন্ত কতজন কর্মকর্তা তাঁদের সাথে আর্থিক লেনদেন করে বদলি ও প্রমোশন বাগিয়ে নিয়েছেন এবং এই অবৈধ বাণিজ্যের মেগা নেটওয়ার্ক কতদূর বিস্তৃত।
সংবাদ সম্মেলনে ডিবি আরও স্পষ্ট করেছে যে, মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার মতো একটি সংবেদনশীল ডেস্কে বসে দীর্ঘদিন ধরে এই মেগা জালিয়াতি একার পক্ষে চালানো অসম্ভব। এর পেছনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরও কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত সচিব বা প্রভাবশালী উইং জড়িত আছে কি না, তা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় রাজধানীর সংশ্লিষ্ট থানায় একটি মেগা প্রতারণা ও অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট লঙ্ঘনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন জানানো হবে বলে নিশ্চিত করেছে ডিবি প্রশাসন।
Channel July 36 

















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *