২০২৪ সালের ৫ আগস্ট—যা আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার কাছে সমাদৃত ‘৩৬ জুলাই’ নামে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে এই দিনেই ঘটেছিল ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান। এক দফা দাবির পক্ষে লাখো মুক্তিকামী জনতা একীভূত হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে, যা শেষ পর্যন্ত এক বিজয়ের মহাসমুদ্রে পরিণত হয়। ঐতিহাসিক দিনটির সকালে ঢাকা
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট—যা আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার কাছে সমাদৃত ‘৩৬ জুলাই’ নামে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে এই দিনেই ঘটেছিল ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান। এক দফা দাবির পক্ষে লাখো মুক্তিকামী জনতা একীভূত হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে, যা শেষ পর্যন্ত এক বিজয়ের মহাসমুদ্রে পরিণত হয়।
ঐতিহাসিক দিনটির সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা ও এর আশপাশে বিরাজ করছিল তীব্র থমথমে ও থমকে যাওয়া পরিবেশ। সকালে চাঁনখারপুল ও তৎসংলগ্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও তৎকালীন সরকারদলীয় কর্মীদের অতর্কিত গুলি বর্ষণে বহু আন্দোলনকারী হতাহত হন। সকাল থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় জড়ো হতে থাকা আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। তবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষক, আইনজীবী, কবি, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক ও সর্বস্তরের নাগরিক রাজপথে নেমে এলে প্রতিরোধের রূপ পুরোপুরি বদলে যায়।
দুপুরের দিকে বৃষ্টিস্নাত শহীদ প্রাঙ্গণ লাখো জনতার মিছিলে মুখরিত হয়ে ওঠে। মৃদু মাইকে ধ্বনিত হতে থাকে “এক দফা এক দাবি, শেখ হাসিনার পদত্যাগ”। বেলা গড়ালে জনতার ঢল কেবল শহীদ মিনারে সীমাবদ্ধ থাকেনি; তা শহীদ মিনার থেকে শাহবাগ হয়ে ছড়িয়ে পড়ে শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে। শেষ পর্যন্ত শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই দেশজুড়ে শুরু হয় বিজয়ের উল্লাস। দীর্ঘদিনের আন্দোলন ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের এক চূড়ান্ত বিজয়।
Channel July 36 
















Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked with *